📌 চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকায় সৌদি প্রবাসী স্বামীর মৃত্যুর মাত্র ৫৮ ঘণ্টার মধ্যে তার স্ত্রীও মৃত্যুবরণ করেছেন। ব্রেইন স্ট্রোকের কারণে দুই জনেরই মৃত্যু হয়। তাদের দুই সন্তান এখন সম্পূর্ণ এতিম
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকায় সৌদি প্রবাসী স্বামীর মৃত্যুর মাত্র ৫৮ ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীও মৃত্যুবরণ করেছেন। স্বামীর ব্রেইন স্ট্রোকের খবর শুনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন স্ত্রী। পরবর্তীতে তিনিও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার শ্যামপুর গ্রামের সফর উদ্দিন (৪০) সৌদি আরবের আভা শহরে কর্মরত ছিলেন
- 📌 গত ১০ আগস্ট কর্মস্থলে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন সফর উদ্দিন
- 📌 সৌদি আরবের স্থানীয় হাসপাতালে নয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ আগস্ট ভোর ৫টায় তার মৃত্যু হয়
- 📌 একই দিন স্বামীর অসুস্থতার খবর পেয়ে স্ত্রী রাখি রাশিদুন নাহার ওরফে ববিতা খাতুন (৩৫) মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন
- 📌 স্ত্রীও ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি হন
- 📌 বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়
- 📌 তাদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান বাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে সম্পূর্ণ এতিম হয়ে পড়েছে
- 📌 ববিতা খাতুন দর্শনা থানা মহিলা জামায়াতের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন
📰 বিস্তারিত
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার শ্যামপুর গ্রামের মৃত শওকত আলী মোল্লার ছেলে সফর উদ্দিন (৪০) জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবের আভা শহরে কর্মরত ছিলেন। গত ১০ আগস্ট কর্মস্থলে থাকাকালে তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা নয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ আগস্ট ভোর ৫টার দিকে তিনি মারা যান।
একই দিন স্বামীর অসুস্থতার খবর পান তার স্ত্রী রাখি রাশিদুন নাহার ওরফে ববিতা খাতুন (৩৫)। স্বামীর অসুস্থতার খবর শুনে তিনি মারাত্মক মানসিক আঘাত পান এবং ওই দিনই ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ববিতা খাতুন।
ববিতা খাতুন দর্শনা থানা মহিলা জামায়াতের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মী, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
"একই পরিবারের মাত্র ৫৮ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর এমন মৃত্যুতে শোকাহত স্বজনরা। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো—এই দম্পতির এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা-মা দুজনকেই হারিয়েছে।"
ববিতা খাতুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির মো. রুহুল আমিন এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল ঢাকার হাসপাতালে যান। তারা সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গা, শ্যামপুর গ্রাম, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সফর উদ্দিন, ববিতা খাতুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ ঘণ্টা, ৪০ বছর, ৩৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!