📌 টিউনিসিয়ার রাজধানীতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা ক্ষমতাচ্যুতির দাবিতে দ্বিতীয় মাসেও রাজপথে নামেন। এক ব্যক্তির শাসন ও স্বৈরাচারের দিকে ধাবিত হওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁরা কারাবন্দি বিরোধী নেতা ও সাংবাদিকদের মুক্তিরও দাবি তুলেছেন
টিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসের রাজপথে দ্বিতীয় মাসেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা রাজপথে নেমেছেন। তাঁরা প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদের ক্ষমতাচ্যুতি এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে সোচ্চার হন। বিক্ষোভকারীরা জানান, তাঁরা ‘এক ব্যক্তির শাসন’ এবং ‘স্বৈরাচারের দিকে ধাবিত হওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন।’ একইসঙ্গে তাঁরা কারাবন্দি বিরোধী নেতা, কর্মী ও সাংবাদিকদের মুক্তিরও দাবি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসের রাজপথে দ্বিতীয় মাসেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের পদচারণা
- 📌 প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদের ক্ষমতাচ্যুতি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে বিক্ষোভ
- 📌 বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ: ‘এক ব্যক্তির শাসন’ ও ‘স্বৈরাচারের দিকে ধাবিত হওয়া’
- 📌 কারাবন্দি বিরোধী নেতা, কর্মী ও সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি
- 📌 দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.২ শতাংশ
- 📌 প্রেসিডেন্ট সাঈদ ক্ষমতায় আসার পর বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-পীড়নের অভিযোগ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর
📰 বিস্তারিত
টিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসের রাজপথে দ্বিতীয় মাসেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা রাজপথে নেমেছেন। তাঁরা প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদের ক্ষমতাচ্যুতি এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে সোচ্চার হন। গত ২১ আগস্ট বৃহস্পতিবার আয়োজিত বিক্ষোভটি ছিল জুলাই মাসের ২৫ তারিখের অনুরূপ, যা প্রেসিডেন্ট সাঈদ সরকারকে বরখাস্ত ও সংসদ স্থগিত করার দ্বিতীয় বার্ষিকীর সঙ্গে মিল রেখে আয়োজিত হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি ডিক্রির মাধ্যমে শাসন পরিচালনা শুরু করেন এবং ২০২২ সালে সংসদ ভেঙে দেন।
বৃহস্পতিবারের মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মী ওয়িসেম সঘাইয়ার বলেন, দেশটি ‘পুরোপুরি ভেঙে পড়ছে।’ টিউনিসিয়ার জনগণ ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ ও জীবনযাত্রার ব্য বৃদ্ধির মুখোমুখি। জনসেবা ব্যবস্থার অবনতি এবং মৌলিক পণ্য ও ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.২ শতাংশ। বিনিয়োগও ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। সাঈদের সরকার জনসেবা খাতে নিয়োগ স্থগিত এবং আমদানি হ্রাসসহ বেশ কয়েকটি ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও পানির কেটে যাওয়া এবং পরিবেশগত সমস্যার বিরুদ্ধেও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এর ফলে জনগণের ক্ষোভ রাজনৈতিক বিরোধিতার চেয়ে দৈনন্দিন জীবনের কষ্টের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এছাড়া উত্তর আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের মতো টিউনিসিয়াও এবারের গ্রীষ্মে ব্যাপক দাবানলের শিকার হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট সাঈদ বিরোধী নেতা, স্বাধীন নাগরিক সমাজ গোষ্ঠী, সাংবাদিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-পীড়ন চালিয়েছেন।
"দেশটি পুরোপুরি ভেঙে পড়ছে।" — কর্মী ওয়িসেম সঘাইয়ার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিউনিস, টিউনিসিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদ, ওয়িসেম সঘাইয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.২ শতাংশ, প্রেসিডেন্টের বয়স ৬৮ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!