📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংবিধান সংস্কারে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা: কী আছে জুলাই সনদে?

সংবিধান সংস্কারে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা: কী আছে জুলাই সনদে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদ্যমান সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত থাকলেও জুলাই জাতীয় সনদে তাঁর ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস ও রাষ্ট্রপতির স্বাধীন নিয়োগ ক্ষমতা প্রদানের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে চায় সংস্কার কমিশন। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসেও সনদটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি

বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া অন্যান্য নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালনা করতে হয়। তবে জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসেও এই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদ্যমান সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালিত হয়
  • 📌 জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে
  • 📌 সনদে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশনসহ চার প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির স্বাধীন নিয়োগ ক্ষমতার প্রস্তাব
  • 📌 সাংবিধানিক সংস্কারের উদ্দেশ্য ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিরোধ ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ
  • 📌 রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাবে সেনাবাহিনীসহ ১২টি প্রতিষ্ঠানে তাঁর নিয়োগ ক্ষমতা প্রদানের কথা উল্লেখ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও রাষ্ট্র সংস্কার। সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা হয়, যেখানে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি প্রস্তাব সংবিধান-সম্পর্কিত।

সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি। ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবিত সংস্কারের মধ্যে রয়েছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন, একই ব্যক্তির দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার বিরোধিতা এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রস্তাবটি গুরুত্ব পায়। প্রস্তাবিত সংস্কারে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল ও আইন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাষ্ট্রপতির স্বাধীন নিয়োগ ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিএনপি সরকার জানিয়েছে, তারা জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধন করবে। তবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসেও এই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাও এখন পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়নি।

"গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে নির্বাহী বিভাগের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর এবং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে গড়ে তোলা আবশ্যক। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং কার্যকরী ক্ষমতায়ন অত্যন্ত জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব, ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাব, ১২টি প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ ক্ষমতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖