📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খেলাপি ঋণ আদায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা জারি

খেলাপি ঋণ আদায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা জারি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খেলাপি ঋণ আদায়ে আদালতের বাইরে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিমালায় যোগ্যতাসম্পন্ন মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে

খেলাপি ঋণ আদায়ে আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিতে পারবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ আদায়ে আদালতের বাইরে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে
  • 📌 কেন্দ্রীয় ব্যাংক যোগ্যতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করবে
  • 📌 তালিকাভুক্তির জন্য প্রতিষ্ঠানকে ১০০ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৭০ নম্বর পেতে হবে
  • 📌 তালিকাভুক্তির মেয়াদ হবে তিন বছর

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, খেলাপি ঋণ আদায়ে আদালতের বাইরে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতারা আদালতে যাওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, উভয় পক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে নতুন বিরোধ ছাড়াও আদালতে চলমান মামলাতেও মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব হবে।

নীতিমালায় মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০, পার্টনারশিপ অ্যাক্ট, ১৯৩২ অথবা কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে নিবন্ধিত হতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) এবং তিন বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তালিকাভুক্তির জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ থাকলে তা বিবেচনা করা হবে না। প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং একাধিক স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের যাচাই-বাছাইয়ে প্রতিষ্ঠানকে ১০০ নম্বরের মধ্যে কমপক্ষে ৭০ নম্বর অর্জন করতে হবে।

"আর্থিক খাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করে আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর পাশাপাশি খেলাপি ঋণ আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। উভয় পক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ (যোগ্যতা যাচাই নম্বর), ৭০ (প্রয়োজনীয় নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖