📌 কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এলপিজি দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে গণশুনানিতে ৭ দফা দাবি জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, দাম বাড়লে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক চাপ আরও বাড়বে এবং কৃত্রিম সংকট, মজুত গোপন ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্তের দাবি করেছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এলপিজি মূল্যহার পরিবর্তন সংক্রান্ত গণশুনানিতে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সাতটি দফা দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, এলপিজির দাম ও সংশ্লিষ্ট চার্জ বাড়ানোর পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ অক্টোবর বিইআরসির গণশুনানিতে এলপিজি দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে ক্যাবের ৭ দফা দাবি
- 📌 ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছে, কিন্তু ভোক্তাদের ৫০০-৬০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে
- 📌 কৃত্রিম সংকট, মজুত গোপন ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্তের দাবি
- 📌 সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির দাম ও চার্জ বাড়ানোর পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি
- 📌 এলপিজি আমদানি ব্যয়, মজুতকরণ ও বিতরণ চার্জের পৃথক হিসাব প্রকাশের দাবি
📰 বিস্তারিত
গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছে। তবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভোক্তাদের নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানিয়েছেন, এলপিজি রান্নার জ্বালানি হিসেবে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অপরিহার্য। খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয় মেটানোর পর রান্নার জ্বালানিতে বাড়তি খরচ বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।
ক্যাবের ৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:
- বিইআরসির নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করা
- কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া
- নিরীক্ষিত হিসাবের ভিত্তিতে চার্জ ও কমিশন বাড়ানোর অনুমোদন না দেওয়া
- এলপিজির আমদানি ব্যয়, মজুতকরণ ও বিতরণ চার্জের পৃথক হিসাব প্রকাশ করা
- গভর্নমেন্ট এলপিজির ব্যয় পৃথকভাবে মূল্যায়ন ও স্বচ্ছ বরাদ্দের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করা
- বিক্রয়কেন্দ্রে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও রসিদ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা
- অতিরিক্ত দাম আদায় ও সিলিন্ডার না পাওয়া অভিযোগের সহজ ব্যবস্থা চালু করা
ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণশুনানিতে আবেদনকারীদের প্রস্তাব ও কমিশনের কারিগরি মূল্যায়নের পাশাপাশি ভোক্তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সংগঠনটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে কোন ব্যয় গ্রহণ বা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং উত্থাপিত আপত্তিগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে।
"নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে যদি নতুন করে দাম ও চার্জ বাড়ানো হয়। নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত না করে নতুন করে দাম ও চার্জ বাড়ানো হলে তাদের জীবনযাত্রায় আরও কষ্ট হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার পারভেজ (ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা), এ এইচ এম সফিকুজ্জামান (ক্যাবের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ২৯ অক্টোবর, ২৬ অক্টোবর, ৪ অক্টোবর, ১২ কেজি, ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, ৫০০-৬০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!