📌 ভারত এসসিওর ‘সভ্যতাগত সংলাপ’ সম্মেলনে পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ২০ ও ২১ নভেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন, যেখানে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের চাপের মধ্যেও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
ভারত এসসিওর ‘সভ্যতাগত সংলাপ’ সম্মেলনে পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এই সম্মেলন ২০ ও ২১ নভেম্বর দিল্লির মোগল সম্রাট হুমায়ুনের প্রাচীন কেল্লায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ ও ২১ নভেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এসসিওর ‘সভ্যতাগত সংলাপ’ সম্মেলন, যেখানে পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচি অংশগ্রহণ করবেন।
- 📌 এই হবে পাকিস্তানের জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ভারত সফর।
- 📌 ভারতের সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান আগামী বছর এসসিওর সভাপতিত্ব করবে।
- 📌 গত সেপ্টেম্বরে ভারত পাকিস্তানে প্রথমবারের মতো সরকারি প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল।
- 📌 এসসিওর সদস্য দেশ ১০টি — ভারত, পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া, ইরান, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান।
📰 বিস্তারিত
ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের শৈত্য সত্ত্বেও এসসিওর বহুপক্ষীয় সম্মেলনে পাকিস্তানের অংশগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসসিওর ‘সভ্যতাগত সংলাপ’ সম্মেলনে পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই সম্মেলন ২০ ও ২১ নভেম্বর দিল্লির পুরাতন মোগল কেল্লায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
২০২৩ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলওয়াল ভুট্টো গোয়ায় এসসিও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। তবে আওরঙ্গজেব খান খিচি ভারতে এলে সেটা হবে প্রথম ব্যতিক্রম। ভারতের সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এসসিও বহুপক্ষীয় সংগঠন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিবেচিত নয়। ভারত বরাবরই এ ধরনের বহুপক্ষীয় সম্মেলনকে বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেখার পক্ষপাতী।
গত সেপ্টেম্বরে এসসিও সম্মেলনের জাতীয় কো-অর্ডিনেটর অলোক ডিমরি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেখানে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়। ডিমরি ফিরে আসার পর পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভারতের ধারণা, পাকিস্তান সম্মেলনে যোগ দেবে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে এসসিও কাউন্সিলের বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। তবে সেই সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। ভারত এখনো আন্তসীমান্ত সন্ত্রাস নিয়ে উচ্চকিত। পাকিস্তানও আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কাশ্মীর নীতি নিয়ে সরব। ফলে দুই দেশের মধ্যে চাপানুতোর অব্যাহত রয়েছে।
"সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় দ্বিচারিতার কোনো স্থান নেই। যেসব দেশ সন্ত্রাসবাদকে বৈদেশিক নীতির অঙ্গ করে ফেলেছে, তাদের স্পষ্ট করে বলা উচিত, সন্ত্রাসবাদ কখনো কোনো দেশের কৌশলগত সম্পদ হতে পারে না।"
২০২৫ সালের এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, এসব দেশ প্রাচীন সভ্যতার অঙ্গ। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য সেই প্রাচীন সভ্যতা, ঐতিহ্য, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরার মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করা। এশিয়া ও ইউরেশিয়ার দেশগুলো একে অন্যের কাছাকাছি আসতে পারবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত (মোগল সম্রাট হুমায়ুনের প্রাচীন কেল্লা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আওরঙ্গজেব খান খিচি (পাকিস্তানের সংস্কৃতিমন্ত্রী), নরেন্দ্র মোদি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী), অলোক ডিমরি (ভারতের এসসিও কো-অর্ডিনেটর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ ও ২১ নভেম্বর (সম্মেলনের তারিখ), ১০টি (এসসিওর সদস্য দেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!