📌 বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে ঘোষণা করেন, বাংলাদেশের ৭৩৭৯টি পণ্য জাপানে করমুক্ত সুবিধা পাবে। পাঁচটি অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি
বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো মজবুত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য রাখেন। তিনি ঘোষণা করেন, বাংলাদেশের ৭৩৭৯টি পণ্য জাপানে করমুক্ত সুবিধা পাবে। এছাড়াও পাঁচটি অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭৩৭৯টি পণ্য করমুক্ত**: বাংলাদেশের পণ্যসমূহ জাপানে করমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক চুক্তির অধীনে।
- 📌 **৫ খাতের বিনিয়োগের আহ্বান**: গাড়ি উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতা, রেল ও লজিস্টিকস এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়।
- 📌 **৩৫০টি জাপানি কোম্পানি**: বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- 📌 **৫০ কোটি ডলারের নিচে বিনিয়োগ**: জাপানের বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ এখনো ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের নিচে রয়েছে।
- 📌 **২০২৯ সালের গাড়ি উৎপাদন**: টয়োটার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানায় পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরু হবে।
- 📌 **বাণিজ্যিক ভারসাম্য**: গত অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রফতানি ছিল ১৩৬ কোটি ডলার, বিপরীতে জাপান থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ২১৬ কোটি ডলারের পণ্য।
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৮ অক্টোবর) টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ৭৩৭৯টি পণ্য জাপানে করমুক্ত সুবিধা পাবে। এছাড়াও তিনি বলেন, জাপানি পণ্যসমূহ যেমন স্টিল, অটোমেটিভ পার্টস এবং ইলেকট্রিক পণ্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে জাপানের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের পরিমাণ এখনো ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের নিচে রয়েছে। তিনি জাপানি বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ দূর করার জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, উন্নত অবকাঠামো, শুল্ক ছাড় ও করব্যবস্থায় পূর্বানুমানযোগ্যতা নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।
২০২৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন কারখানায় পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্যে টয়োটার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এই উদ্যোগে পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এবং এখন উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
"বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখন উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টোকিও (জাপান), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩৭৯ পণ্য, ৫ খাত, ৩৫০ কোম্পানি, ৫০ কোটি মার্কিন ডলার, ১৩৬ কোটি ডলার রফতানি, ২১৬ কোটি ডলার আমদানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!