📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বলেছেন, বাংলাদেশ এখন সাহায্যের পরিবর্তে ব্যাপক বিনিয়োগের আশা রাখে। তিনি সুইস প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান প্রশংসা করে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার (২৮ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো জিগফ্রিড রেঙ্গলির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে তিনি বাংলাদেশকে আর সাহায্যের দেশ হিসেবে দেখতে চান না, বরং বিনিয়োগের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা চেয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন আর সাহায্য নয়, বরং ব্যাপক বিনিয়োগ চায় এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
- 📌 রাষ্ট্রপতি সুইজারল্যান্ডের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান প্রশংসা করে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, দক্ষতা উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, কারিগরি শিক্ষা ও শিক্ষা-গবেষণায় সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
- 📌 রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
- 📌 সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের উপমিশন প্রধান দিপাক এলমার।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি করলে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবে এবং দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। রাষ্ট্রপতি সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রশংসা করে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা চেয়েছেন। রাষ্ট্রদূত রেঙ্গলি এই বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাংসদীয় কার্যক্রম শক্তিশালী করতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সাক্ষাৎকালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, দক্ষতা উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, কারিগরি শিক্ষা এবং শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
"বাংলাদেশ এখন আর সাহায্য নয়, বরং ব্যাপক বিনিয়োগ চায়। বিনিয়োগ বাড়লে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো জিগফ্রিড রেঙ্গলি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!