📌 বাংলাদেশকে বিশ্বমানের এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দেশীয় এয়ারলাইনগুলোর শক্তিশালী হওয়া অপরিহার্য, বলেছেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন, শুধু বিমানবন্দর নির্মাণেই এভিয়েশন হাবের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। এছাড়াও পরিচালন ব্যয় কমাতে এবং ব্যবসা পরিবেশ সহজ করতে হবে
বাংলাদেশকে বিশ্বমানের এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দেশীয় এয়ারলাইনগুলোর শক্তিশালী হওয়া এবং তাদের ব্যবসা পরিবেশ সহজ করা অপরিহার্য, বলেছেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শুধু বড় বিমানবন্দর নির্মাণেই এভিয়েশন হাবের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। এছাড়াও দেশীয় এয়ারলাইনগুলোর পরিচালন ব্যয় কমাতে এবং তাদের ব্যবসা পরিবেশ সহজ করা দরকার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **দেশীয় এয়ারলাইনকে নেতৃত্ব দিতে হবে**: ইউএস-বাংলা এমডি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, শুধু এভিয়েশন হাব বললেই এভিয়েশন হাব হওয়া যায় না। দেশীয় এয়ারলাইনগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের ব্যবসা পরিবেশ সহজ করা দরকার।
- 📌 **টার্মিনাল নির্মাণে এয়ারলাইনদের মতামত না নেওয়া**: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে এয়ারলাইন অপারেটরদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
- 📌 **রানওয়ে সংকটে ২০ লাখ টাকা দৈনিক ক্ষতি**: রানওয়ে সংকটে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচে ইউএস-বাংলা প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে।
- 📌 **বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমাতে নতুন নীতিমালা প্রয়োজন**: বোয়িং উড়োজাহাজের একটি ইঞ্জিনের দাম ৯ মিলিয়ন ডলার থেকে ২৩ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে ব্যয় কমাতে পারা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- 📌 **গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিযোগিতার দাবি**: বিমানবন্দরে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন বিষয়ে আজ শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে বণিক বার্তা আয়োজিত সম্মেলনে ইউএস-বাংলা এমডি আবদুল্লাহ আল মামুন এসব কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সম্মেলনে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এবং বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘দেশীয় এয়ারলাইনগুলোকে নেতৃত্ব দিতে হবে। বিদেশি এয়ারলাইন এ ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করবে না।’ তিনি উল্লেখ করেন, সিঙ্গাপুরের মতো এভিয়েশন হাব গড়ে তোলার জন্য টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য কেনাকাটা, বিনোদন ও অন্যান্য সুবিধা থাকতে হবে। বাংলাদেশে এ ধরনের সুবিধা না থাকলে শুধু বড় টার্মিনাল নির্মাণ করে এভিয়েশন হাব হওয়ার লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।
রানওয়ে সংকটের কারণে ইউএস-বাংলা প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। তিনি বলেন, একটি বোয়িং উড়োজাহাজ রানওয়ে অপেক্ষায় থাকলে প্রায় ৩০০ কেজি এবং এয়ারবাসে প্রায় ৯০০ কেজি অতিরিক্ত জ্বালানি পুড়তে পারে। ছোট উড়োজাহাজের ক্ষেত্রেও প্রায় ৭৫ কেজি অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ হয়। তিনি দাবি করেন, ঢাকা-কলকাতা রুটে একটি বোয়িং উড়োজাহাজের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রায় ৯৭ হাজার টাকা খরচ হয়।
"শুধু এভিয়েশন হাব বললেই এভিয়েশন হাব হওয়া যায় না। দেশীয় এয়ারলাইনগুলোকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। বিদেশি এয়ারলাইন এ ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করবে না। দেশীয় এয়ারলাইনকে সক্ষম করে তুলতে হবে এবং তাদের ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন (ইউএস-বাংলা এমডি), এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী), হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী), মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক (বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ লাখ টাকা (দৈনিক ক্ষতি), ৯৭ হাজার টাকা (গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং খরচ), ৩০০ কেজি (বোয়িং জ্বালানি অতিরিক্ত), ৯০০ কেজি (এয়ারবাস জ্বালানি অতিরিক্ত), ৭৫ কেজি (ছোট উড়োজাহাজ জ্বালানি অতিরিক্ত), ৯ মিলিয়ন ডলার (বোয়িং ইঞ্জিন দাম), ২৩ মিলিয়ন ডলার (নতুন বোয়িং ইঞ্জিন দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!