📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের হাইটেক পার্কের ব্যর্থতা: অবকাঠামো নয়, দক্ষ জনবল ও প্রশিক্ষণই মূল সমস্যা

বাংলাদেশের হাইটেক পার্কের ব্যর্থতা: অবকাঠামো নয়, দক্ষ জনবল ও প্রশিক্ষণই মূল সমস্যা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণের পরেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরি, প্রশিক্ষণ ও শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগের অভাবই মূল কারণ

বাংলাদেশে নির্মিত ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার পার্কের ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দক্ষ জনবল ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার অভাবকে দায়ী করছেন। অবকাঠামো নির্মাণের পরেও কার্যকর ফলাফল না পাওয়ায় এখন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগের দিকে নজর দিতে বলা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশে ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণের পরেও প্রত্যাশিত বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আসেনি
  • 📌 সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ বলেন, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এলাকায় ভারী অবকাঠামো নির্মাণের কারণে পার্কগুলো ব্যর্থ হচ্ছে
  • 📌 নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম রকনুজ্জামান উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোই হাইটেক বিপ্লব আনবে এমন ধারণা সঠিক নয়
  • 📌 যশোর হাইটেক পার্কের ৪০টি কোম্পানি কার্যকর সহায়তা ছাড়াই টিকে থাকার সংগ্রাম করছে
  • 📌 পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য সফট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে উঠলেও প্রত্যাশিত ফলাফল আসেনি। আজ শনিবার সকালে ‘হাইটেক পার্কস: মিশন কী? বাস্তবতা কী?’ শীর্ষক একটি ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা এই সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দক্ষ জনবল ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার অভাবকে চিহ্নিত করেছেন। সভার আয়োজন করেছেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের হাইটেক পার্কগুলোর মূল ব্যর্থতা হলো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এলাকায় ভারী ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ করা। তিনি উল্লেখ করেছেন, শুধু ইট-কাঠের অবকাঠামোই নয়, প্রশিক্ষণব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতাও এই ব্যর্থতার কারণ।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এম রকনুজ্জামান বলেছেন, শুধু অবকাঠামোই হাইটেক বিপ্লব ও বিনিয়োগ টেনে আনবে এমন ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণের সময় সহায়ক ইকোসিস্টেম, দক্ষ জনবলের প্রাপ্যতা এবং শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগের গুরুত্ব উপেক্ষা করা হয়েছে।

ডিএনএস সফটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাফেল কবির বলেছেন, হাইটেক পার্কগুলোর উচিত ছিল মাদারবোর্ড ও চিপ ফ্যাব্রিকেশনের মতো মৌলিক প্রযুক্তি উৎপাদনে জোর দেওয়া। তিনি আরও বলেছেন, সম্পূর্ণ ইপিজেড-মানের অবকাঠামো সরবরাহ করা উচিত ছিল।

যশোর হাইটেক পার্কের মূল্যায়ন করে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান অংশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম বলেছেন, পার্কটিতে বর্তমানে অবস্থানরত ৪০টি কোম্পানি কার্যকর সহায়তা ছাড়াই টিকে থাকার সংগ্রাম করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, কর্তৃপক্ষ তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে দেখেনি, শুধু ভাড়াটে হিসেবে দেখে। প্রশিক্ষিত জনবল দ্রুত চলে যায় এবং স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত দুর্বল।

সমাপনী বক্তব্যে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য শুধু ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে সফট ইনফ্রাস্ট্রাকচার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং শিল্পচালিত প্রশিক্ষণ গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

"শুধু অবকাঠামোই একটি হাইটেক বিপ্লব ও বিনিয়োগ টেনে আনবে, এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে দেশে ৩৯টি হাইটেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম, দক্ষ জনবলের প্রাপ্যতা এবং শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ নিশ্চিত না করেই এসব করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল স্পষ্টভাবে দেখায় যে এই ধারণা সঠিক ছিল না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের বিভিন্ন হাইটেক ও সফটওয়্যার পার্ক (যেমন: যশোর হাইটেক পার্ক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়েজ আহমেদ, এম রকনুজ্জামান, রাফেল কবির, মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম, হোসেন জিল্লুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯টি হাইটেক পার্ক, ৪০টি কোম্পানি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖