📌 ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈলে এক প্রবাসী নারীর স্ত্রীকে গোসলের সময় বাথরুমে ঢুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে র্যাবের অভিযানে মূল আসামি মো. আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈলে এক প্রবাসী পরিবারের স্ত্রীকে গোসলের সময় বাথরুমে ঢুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেলের চাপ দেওয়ার অভিযোগে র্যাবের অভিযানে মূল আসামি মো. আল আমিন (৩০) আজ শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাণীশংকৈল উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের এক প্রবাসী নারীর স্ত্রীকে গোসলের সময় বাথরুমে ঢুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করা হয়।
- 📌 মো. আল আমিন (৩০) নামের আসামিকে গাজীপুরের ভাওরাইদ মোড় থেকে র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি রাণীশংকৈল উপজেলার মো. হানিফের ছেলে।
- 📌 ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের পর আসামিরা ৫ লাখ টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেলের চাপ দিয়েছিলেন।
- 📌 ২০ আগস্ট মামলা করা হয় এবং র্যাব-১৩-এর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়।
- 📌 বিপ্লব কুমার গোস্বামী, র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বলেছেন, মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
- 📌 বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রাণীশংকৈল উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের এক প্রবাসী পরিবারের স্ত্রীকে গতকাল শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে গাজীপুরের ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাবের সদস্যরা গ্রেপ্তার করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তাঁর বাবার বাড়িতে গোসল করছিলেন। এ সময় আসামি জনি বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। নারী বাইরে বের হলে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আসামি আল আমিন তাঁর গলা ধরে পুনরায় বাথরুমে ঢুকিয়ে দেন। এ সময় আসামি জনি ওই নারীর নগ্ন ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে এবং তাঁকে ধর্ষণ করেন। এরপর আসামি আল আমিনও ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে সেই ভিডিও স্থানান্তর করে আসামিরা নারীর উপর ব্ল্যাকমেলের চাপ দিতে থাকে।
সর্বশেষ ২ আগস্ট মাহবুব আলম নামের আসামি ভুক্তভোগী নারীর মোবাইল ফোনে থাকা ভিডিও দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। অন্যথায় ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে বলে হুমকি দেন। এই ঘটনায় ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে রাণীশংকৈল থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান।
মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-১৩ কর্তৃক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি, র্যাব-১৩, রংপুর এবং র্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুরের একটি যৌথ দল গতকাল শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মূল আসামি মো. আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
"মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
বিপ্লব কুমার গোস্বামী, র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বলেছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাণীশংকৈল উপজেলা, ঠাকুরগাঁও; গাজীপুরের ভাওরাইদ মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আল আমিন (৩০), বিপ্লব কুমার গোস্বামী, ভুক্তভোগী নারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (আসামির বয়স), ৫ লাখ টাকা (ব্ল্যাকমেলের দাবি), ২০ আগস্ট (মামলা করা তারিখ), ২ আগস্ট (শেষ ব্ল্যাকমেলের ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!