📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিপিএলে ফিক্সিং তদন্তে অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেয়া হয়নি? বিসিবির অস্পষ্ট উত্তর

বিপিএলে ফিক্সিং তদন্তে অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারকে কেন বাদ দেয়া হয়নি? বিসিবির অস্পষ্ট উত্তর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিপিএলের ১২তম আসরে ফিক্সিং তদন্তে অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারকে নিলামে রাখা হয়নি। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা স্পষ্ট নয়। বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল জানান, তাদেরকে ‘হুমকি’ মনে হয়েছিল। তবে তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে

বিপিএলের সর্বশেষ আসরে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারকে ১২তম আসরের নিলামে রাখা হয়নি। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা স্পষ্ট নয়। বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে জানান, তাদেরকে ‘হুমকি’ মনে হয়েছিল। তবে তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে তিনি অস্পষ্টতা রেখে গেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিপিএলের ১২তম আসরে ফিক্সিং তদন্তে অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারকে নিলামে রাখা হয়নি, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো স্পষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
  • 📌 বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন পেয়েছিলেন, যেখানে বিদেশি ও স্থানীয় ক্রিকেটারসহ ৯ জনের নেতিবাচক তথ্য ছিল
  • 📌 মার্শাল বলেন, অভিযুক্তদেরকে ‘হুমকি’ মনে করে বিপিএলে তাদের আমন্ত্রণ না দেওয়া হয়েছিল, তবে তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা তাঁর দায়িত্ব ছিল না
  • 📌 ৮ জন অভিযুক্ত ক্রিকেটার তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন বলে জানান মার্শাল
  • 📌 বিপিএলের সর্বশেষ আসরে অভিযুক্ত ৩ জন ক্রিকেটারকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বিসিবির সাবেক পরিচালক

📰 বিস্তারিত

বিপিএলের ১১তম আসরে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে বিসিবি সর্বশেষ আসরে ৩ জন ক্রিকেটারকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বিসিবির সাবেক পরিচালক। গত মে মাসে আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগে খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক মিলিয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিসিবি। তবে ১২তম আসরে অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারের ব্যাপারে বিসিবি, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল বা ইন্টেগ্রিটি ইউনিট কোনো স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলে ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল জানান, ‘১২তম বিপিএলের ড্রাফটের কয়েক দিন আগে আমাকে ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে অনেক মানুষের বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য ছিল। বিদেশি খেলোয়াড়, স্থানীয় খেলোয়াড়, খেলোয়াড় নন—ছিলেন এমন ব্যক্তিরাও। আমি তখনকার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে পরামর্শ দিয়েছিলাম, আমাদের হাতে যে তথ্য এসেছে, আমরা সেগুলো খতিয়ে দেখার সময় এই বিপিএলে তাঁদের আমন্ত্রণ না জানানোই হয়তো বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

মার্শালের কথায়, অভিযুক্তদেরকে বিপিএলে ‘হুমকি’ মনে হয়েছিল। তবে তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তাঁর ছিল না। তিনি আরও জানান, ফিক্সিং তদন্তের প্রক্রিয়া সাধারণত তিনভাবে শেষ হতে পারে: অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণ থাকলে অভিযোগ গঠনের সুপারিশ, যথেষ্ট শক্ত প্রমাণ না থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নজরদারি, বা কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগ বাতিল। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেননি যে, অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারের তদন্ত কোনো শ্রেণিতে পড়েছে।

মার্শাল জানান, শুধু বিপিএলের সর্বশেষ আসরের জন্যই অভিযুক্তদেরকে ‘নিষিদ্ধ’ করা হয়েছিল। এখন আর তাদের বিপিএলে খেলতে বাধা নেই। তিনি আরও বলেন, দুই ধাপে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ৮ জনের অনেকেই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

"১২তম বিপিএলের ড্রাফটের কয়েক দিন আগে আমাকে ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রতিবেদনে অনেক মানুষের বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য ছিল। বিদেশি খেলোয়াড়, স্থানীয় খেলোয়াড়, খেলোয়াড় নন—ছিলেন এমন ব্যক্তিরাও। আমি তখনকার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে পরামর্শ দিয়েছিলাম, আমাদের হাতে যে তথ্য এসেছে, আমরা সেগুলো খতিয়ে দেখার সময় এই বিপিএলে তাঁদের আমন্ত্রণ না জানানোই হয়তো বুদ্ধিমানের কাজ হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যালেক্স মার্শাল (বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান), ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ (অভিযুক্ত ক্রিকেটার), ৯০০ (প্রতিবেদনের পৃষ্ঠা), ৮ (অভিযোগ মেনে নেয়া ক্রিকেটার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖