📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৬৩ বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট জমা রাখা চট্টগ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার: পুলিশের অভিযান ও কোকেনের লুকোচুরি

৬৩ বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট জমা রাখা চট্টগ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার: পুলিশের অভিযান ও কোকেনের লুকোচুরি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের খুলশী এলাকায় পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট জমা রাখা মোহাম্মদ মহসিনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহসিন কোকেনের লুকোচুরি ও সাইবার প্রতারণার একটি চক্রের সাথে জড়িত ছিলেন। অভিযানে ১৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়

চট্টগ্রামে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ মহসিনের বিরুদ্ধে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট জমা রাখার পাশাপাশি কোকেনের লুকোচুরি ও সাইবার প্রতারণার মামলায় অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নগরের খুলশী এলাকায় পুলিশের অভিযানে মহসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য মতে, মহসিনের বাসস্থান লক্ষ্মীপুর জেলায়। তিনি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬৩ বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট জমা রাখার অভিযোগে মোহাম্মদ মহসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে লাওসের ৩৫ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, চীনের ৫ জন, নেপালের ১ জন ও ভিয়েতনামের ১ জন নাগরিক রয়েছেন।
  • 📌 ১৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস (ল্যাপটপ, মোবাইলসহ) উদ্ধার করা হয়, যা সাইবার প্রতারণার নেটওয়ার্কের প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।
  • 📌 ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকায় পাঠানোর চেষ্টা করায় মহসিনের বিরুদ্ধে কোকেনের মামলায় আদালতে কারাগারে পাঠানো হয়।
  • 📌 ১৪টি ফ্ল্যাটে দেড় মাস ধরে বিদেশি নাগরিকরা অবস্থান করছিলেন, যেখানে সার্ভার ও কম্পিউটার স্থাপন করা ছিল।
  • 📌 সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম জানান, মহসিনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায় হলেও তিনি চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহসিন একটি আটতলা ভবনে ৬৩ বিদেশি নাগরিককে ভাড়া দিয়েছিলেন। এই ভবনে সাইবার প্রতারণার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। পুলিশের অভিযান চলাকালে ১৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়, যা প্রতারণার প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

ওসি আবদুর রহিম আরও জানান, মহসিন কোকেনের লুকোচুরির মামলায় জড়িত ছিলেন। তিনি কুরিয়ার মাধ্যমে ঢাকায় ১১৮ গ্রাম কোকেন পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন। কোকেনের তথ্য খুঁজতে গিয়ে বিদেশি নাগরিকদের খোঁজ পাওয়া যায়। মহসিনকে কোকেনের মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তথ্য মতে, এই বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করা হয়েছে এবং রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিইউ) ও খুলশী থানার পুলিশ জালালাবাদ আবাসিক এলাকার আটতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩ বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মধ্যে লাওসের ৩৫ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, চীনের ৫ জন, নেপালের ১ জন ও ভিয়েতনামের ১ জন নাগরিক রয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই বিদেশি নাগরিকরা ১৪টি ফ্ল্যাটে দেড় মাস ধরে অবস্থান করছিলেন। ভবনটিতে সার্ভার, কম্পিউটার ও ল্যাপটপসহ তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সরঞ্জাম স্থাপন করা ছিল। এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

"৬৩ বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট জমা রাখার পাশাপাশি কোকেনের লুকোচুরি ও সাইবার প্রতারণার মামলায় মহসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে চক্রটির বিস্তারিত জানা যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের খুলশী ও জালালাবাদ আবাসিক এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মহসিন, আবদুর রহিম (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ (বিদেশি নাগরিক), ১৭০ (ইলেকট্রনিক ডিভাইস), ১১৮ (গ্রাম কোকেন), ১৪ (ফ্ল্যাট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖