📌 কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি সহপাঠী ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের আপত্তিকর ছবি তুলে প্রেমিকের কাছে পাঠাতেন। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সহপাঠী ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের গোপনে আপত্তিকর ছবি তুলে তাঁর যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্রেমিকের কাছে পাঠাতেন। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযুক্ত ছাত্রীকে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তাঁর বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
- 📌 অভিযোগ, তিনি সহপাঠী ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের আপত্তিকর ছবি তুলে প্রেমিকের কাছে পাঠাতেন।
- 📌 ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন হলের প্রাধ্যক্ষ।
- 📌 তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক আরিফা আক্তার, অধ্যাপক মুহা. কামরুজ্জামান ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মোহা. খাইরুল ইসলাম।
- 📌 অভিযুক্ত ছাত্রীর দুটি মুঠোফোন জব্দ করে তদন্ত কমিটির কাছে দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকল্যাণ পরিষদের অধীনস্থ একটি হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে থাকা এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাঁর সহপাঠী ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের গোপনে আপত্তিকর ছবি তুলে তাঁর যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্রেমিকের কাছে পাঠাতেন। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন হলের প্রাধ্যক্ষ।
প্রাধ্যক্ষ আরও জানান, সম্প্রতি যুবকের সঙ্গে ছাত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতি হলে ছবিগুলোর কিছু অংশ ভুক্তভোগীদের কাছে পাঠান ওই যুবক। এরপর হলে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি হলের প্রাধ্যক্ষ ও প্রক্টরিয়াল বডি জানতে পারে। হল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে জরুরি সভা করে হল কর্তৃপক্ষ। সভায় ভুক্তভোগী ৭ জন ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দেন।
এর মধ্যে কয়েকজন মুঠোফোনে থাকা আপত্তিকর ছবি এক নারী শিক্ষককে দেখান, যেগুলো ওই যুবককে পাঠানো হয়েছিল। অভিযুক্ত ছাত্রীকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে হল থেকে বহিষ্কার করে তাঁর বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়।
"আমার বান্ধবী ও সহপাঠীরাও ছেলেটিকে চিনতেন। তাঁর সঙ্গে তাঁদের কথাও হয়েছে। ছেলটির সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি কোথায় আছেন, কী করছেন বোঝাতে গিয়ে সামনে যে ছিল, তাঁর ছবি তুলে দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে আছেন। এটা যে অনুচিত ও বেআইনি হবে, তিনি বুঝতে পারেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিযুক্ত ছাত্রী, প্রেমিক (যুক্তরাজ্যপ্রবাসী), অধ্যাপক আরিফা আক্তার, অধ্যাপক মুহা. কামরুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মোহা. খাইরুল ইসলাম, হল প্রাধ্যক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন ভুক্তভোগী ছাত্রী, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!