📌 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে ৫ দিনের রিমান্ডে আবেদন করেছে পুলিশ। বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি ও অশালীন আচরণের জন্য মামলা করা হয়েছে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াত ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ। শনিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদন করেছেন বিমানবন্দর থানার এস আই মাজেদুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে মারধর, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ৫ দিনের রিমান্ডে আবেদন করা হয়েছে।
- 📌 মদিনা থেকে ফেরার ৩৪ সদস্যের জামায়াত দলের সাথে ঘটনাটি সংঘটিত হয়, যেখানে লাগেজ সংগ্রহে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
- 📌 নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিবকে আখতারুজ্জামান শারীরিকভাবে আঘাত করেন এবং বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের হুমকি দেন।
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন নিশ্চিত করেছেন, আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হবে।
- 📌 বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের সাথে আখতারুজ্জামানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ঘটে।
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার মদিনা থেকে জামায়াত ইসলামীর ৩৪ সদস্যের একটি দল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর লাগেজ সংগ্রহের সময় অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপের কারণে ট্রলি পেতে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে বিমানবন্দরের কর্মীদের সাথে কথাবার্তায় জড়িয়ে পড়েন আখতারুজ্জামান। লাগেজ পেতে দেরি এবং জমজমের পানি না পাওয়ার বিষয়টিও উত্তেজনা বাড়ায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদকে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। কিন্তু আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালকের সাথে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন এবং হুমকিসূচক ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাহী পরিচালককে সেখান থেকে সরিয়ে নেন। ঘটনার পর বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আখতারুজ্জামান হুমকি দেন।
এছাড়া, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বিমানবন্দরের কেপিআই-ভুক্ত এলাকায় ভিডিও ধারণ করছিলেন। নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদেরকে ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে অনুরোধ করলে আখতারুজ্জামান অশালীন আচরণ করেন এবং শারীরিকভাবে আঘাত করেন। একইসঙ্গে, যাত্রীদের জমজমের পানি রাখা বোতল বা পাত্র ট্রলি থেকে ফেলে দেন। বাদীর অভিযোগ, এসব আচরণের ফলে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এবং নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তৈরি হয়।
"আখতারুজ্জামান কর্তৃক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিষয়টিতে কোনো কুচক্রী মহল জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জন, মো. শাহরিয়ার আলম সজিব, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব, এস আই মাজেদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিনের রিমান্ড, ৩৪ সদস্যের দল, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!