📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইল সখীপুরে জোরপূর্বক জমি ও দোকান দখলের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতের রায়ের পরও সংঘাত অব্যাহত

টাঙ্গাইল সখীপুরে জোরপূর্বক জমি ও দোকান দখলের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতের রায়ের পরও সংঘাত অব্যাহত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল সখীপুরের বেড়বাড়ি বাজারে স্থানীয় বাসিন্দা এস এ শাহীন দাবি করেছেন, তাঁর ৭.২৫ শতাংশ জমি ও দোকান দখল করা হয়েছে। দখলকারীদের মধ্যে রয়েছে শাহীন মিয়া, লেবু মিয়া, ফজল মিয়া ও নূরুল ইসলামসহ ১৫-২০ জন। শাহীন মিয়া দাবি করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচয় ব্যবহার করে জমি দখল করেছেন

টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ি বাজারে একটি জমি ও দোকান দখলের বিরুদ্ধে শাহীন মিয়া (৪৫) ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে এস এ শাহীন জানান, তাঁর মালিকানাধীন ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি ও দোকান দখল করা হয়েছে। দখলকারীদের মধ্যে রয়েছে শাহীন মিয়া, লেবু মিয়া (৪৩), ফজল মিয়া (৪৭), নূরুল ইসলাম (৪০)সহ আরও ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইল সখীপুরের বেড়বাড়ি বাজারে স্থানীয় বাসিন্দা এস এ শাহীন দাবি করেছেন, তাঁর ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি ও দোকান দখল করা হয়েছে।
  • 📌 দখলকারীদের মধ্যে রয়েছে শাহীন মিয়া (৪৫), লেবু মিয়া (৪৩), ফজল মিয়া (৪৭), নূরুল ইসলাম (৪০)সহ আরও ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি।
  • 📌 শাহীন মিয়া দাবি করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচয় ব্যবহার করে জমি দখল করেছেন এবং মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
  • 📌 এস এ শাহীন আদালতে মামলায় তাঁর পক্ষে রায় পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন, কিন্তু দখলকারীরা জমি দখল করে নিয়েছে।
  • 📌 স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শাহীন।

📰 বিস্তারিত

সংবাদ সম্মেলনে এস এ শাহীন বলেন, তাঁর দোকানের ভাড়াটিয়া নূরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলায় তিনি হেরে যাওয়ার পর শাহীন মিয়া জমিটি কিনে নেন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচয় ব্যবহার করে জমি দখল করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর পর সংঘবদ্ধভাবে তাঁর জমি ও দোকান দখল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে যাদবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম জানান, শাহীন মিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো নেতা নন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁকে দলের পক্ষে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি দলের সদস্য নন। এখন যদি তিনি দলীয় কোনো পদের কথা বলে ক্ষমতা দেখাতে চান, তবে তা সম্পূর্ণ অবৈধ।’

অভিযুক্ত শাহীন মিয়া মোবাইল ফোনে জানান, ‘আমি একজন প্রবাসী। ২০২৪ সালে দেশে এসে নূরুল ইসলামের কাছ থেকে ওই জমি আমি কিনেছি। এ-সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র আমার কাছে আছে। আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক, বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল শিকদার, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন কাঁকন, স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজ উদ্দিন ও জয়েন উদ্দিনসহ অন্যরা।

"আমি একজন প্রবাসী। ২০২৪ সালে দেশে এসে নূরুল ইসলামের কাছ থেকে ওই জমি আমি কিনেছি। এ-সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র আমার কাছে আছে। আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলা, বেড়বাড়ি বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এ শাহীন, শাহীন মিয়া (৪৫), লেবু মিয়া (৪৩), ফজল মিয়া (৪৭), নূরুল ইসলাম (৪০), শহিদুল ইসলাম, আহমেদ আযম খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.২৫ শতাংশ জমি, ১৫-২০ জন দখলকারী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖