📌 ইনফিনিক্সের হট ৬০আই মডেলের ফোনে দু’বার বিস্ফোরণ ঘটে। নারায়ণগঞ্জের একজন ব্যবহারকারী মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এবং ভোলার তানভীর হোসেন দু’জনেই পুড়ে যান। কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া না থাকায় নিরাপত্তা প্রশ্নে উদ্বেগ বাড়ছে
ইনফিনিক্সের হট ৬০আই মডেলের স্মার্টফোনে বিস্ফোরণ ও আগুন ধরে যাওয়ার দু’টি ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে দু’জন ব্যবহারকারী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের একজন ব্যবহারকারী মোহাম্মদ নাহিদ হাসান গত রোববার (২৫ অক্টোবর) ফোনে কথা বলার সময় ফোনটি অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভোলার তানভীর হোসেনের ফোনও বিস্ফোরিত হয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। এই দু’টি ঘটনার পর ইনফিনিক্সের নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ নাহিদ হাসান গত ২৫ অক্টোবর ফোনে কথা বলার সময় হট ৬০আই ফোনে বিস্ফোরণ ঘটায়, ফোন আগুন ধরে যায়
- 📌 নাহিদ হাসান বলেন, ফোনটি প্রায় এক বছর আগে কিনেছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলার সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে
- 📌 তার আশঙ্কা, ফোনটি হাত থেকে মাত্র পাঁচ সেকেন্ড দেরি হলে বিস্ফোরণ কানের কাছে ঘটতো, মুখ ও কান পুড়ে যেত
- 📌 ২০২৫ সালের ১২ জানুয়ারি ভোলার তানভীর হোসেনের ফোনও বিস্ফোরিত হয়, তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়
- 📌 তানভীরকে প্রথমে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়
- 📌 ইনফিনিক্সের কর্মকর্তা গণমাধ্যমে ঘটনা জানার কথা উল্লেখ করে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
গত রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ নাহিদ হাসান ফোনে কথা বলছিলেন। হঠাৎ তার ব্যবহৃত ইনফিনিক্স হট ৬০আই মডেলের ফোন অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে যায়। বিপদ অনুভব করে তিনি দ্রুত ফোনটি মাটিতে ফেলে দেন। এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ফোনটি বিস্ফোরণ ঘটায় এবং আগুন ধরে যায়। ফোনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নাহিদ হাসান জানান, তিনি প্রায় এক বছর আগে এই ফোনটি কিনেছিলেন। স্বাভাবিকভাবে কথা বলার সময়ই এমন ঘটনা ঘটায় তার আতঙ্ক বাড়ে। তিনি বলেন, ফোনটি হাত থেকে মাত্র পাঁচ সেকেন্ড দেরি হলে বিস্ফোরণ কানের কাছে ঘটতো, যার ফলে মুখ, কান ও হাত গুরুতরভাবে পুড়ে যেত।
২০২৫ সালের ১২ জানুয়ারি ভোলার তানভীর হোসেনেরও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। ব্যক্তিগত পড়াশোনা শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে তার পকেটে থাকা ইনফিনিক্স ফোন বিস্ফোরিত হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। প্রথমে তাকে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পর তানভীরের পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায় নির্ধারণের দাবি জানায়।
সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর ইনফিনিক্সের এক জ্যেষ্ঠ ব্র্যান্ড কর্মকর্তা গণমাধ্যমে ঘটনা জানার কথা উল্লেখ করে বিষয়টি খোঁজ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে, ইনফিনিক্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই দু’টি ঘটনার পর ইনফিনিক্সের নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠছে এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
"ফোনটি হাত থেকে মাত্র পাঁচ সেকেন্ড দেরি হলে বিস্ফোরণ কানের কাছে ঘটতো, যার ফলে মুখ ও কান পুড়ে যেত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, ভোলা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাহিদ হাসান, তানভীর হোসেন, ইনফিনিক্সের জ্যেষ্ঠ ব্র্যান্ড কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০আই (মডেল নাম), ২৫ (অক্টোবর), ১২ (জানুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!