📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রামীণফোনের সিলেট ডেটা সেন্টারে স্থাপিত ৩২৫ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র: বাংলাদেশের বৃহত্তম নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প

গ্রামীণফোনের সিলেট ডেটা সেন্টারে স্থাপিত ৩২৫ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র: বাংলাদেশের বৃহত্তম নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্রামীণফোন সিলেটের ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছে। ৪৫০টি সোলার প্যানেল দিয়ে নির্মিত এই কেন্দ্রটি বাংলাদেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টার সৌর প্রকল্প। বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ১৮৮ টন কার্বন নির্গমন কমাবে

গ্রামীণফোন সিলেটের একটি ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছে। এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের যেকোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই কেন্দ্রে ৪৫০টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গ্রামীণফোনের সিলেট ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে — বাংলাদেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টার সৌর প্রকল্প
  • 📌 ৪৫০টি সোলার প্যানেল দিয়ে নির্মিত কেন্দ্রটি বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, যা ১৮৮ টন কার্বন নির্গমন কমাবে
  • 📌 গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য রেখেছে গ্রামীণফোন
  • 📌 জেডটিই বাংলাদেশের সিইও মাও জুন্যং বলেছেন, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যত গঠনে অবদান রাখবে

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার গ্রামীণফোনের সিলেট ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রকল্পটি গ্রামীণফোনের পরিচালিত অবকাঠামোজুড়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। জেডটিই–এর কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এই কেন্দ্রটি থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলামান থাকায় আমরা এমনই একটি অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না, বরং পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশে কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা।’

জেডটিই বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাও জুন্যং বলেন, ‘ডেটা সেন্টারের কার্যক্রমে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সলিউশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করছি, যা গ্রামীণফোনের টেকসই লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই যৌথ উদ্যোগ শিল্প খাতে একটি উদাহরণ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখবে।’

"বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলামান থাকায় আমরা এমনই একটি অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না, বরং পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশে কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট, গ্রামীণফোন ডেটা সেন্টার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিইও ইয়াসির আজমান, জেডটিই সিইও মাও জুন্যং, চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাসেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২৫ কিলোওয়াট (ক্ষমতা), ৪৫০টি সোলার প্যানেল, ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা (বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন), ১৮৮ টন (কার্বন নির্গমন কমবে), ৫০ শতাংশ (২০৩০ সালের লক্ষ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖