📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিলেটে পুলিশি নির্যাতনে মৃত্যুর মামলায় এসআই আকবরকে ফাঁসি, দুই কনস্টেবল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সিলেটে পুলিশি নির্যাতনে মৃত্যুর মামলায় এসআই আকবরকে ফাঁসি, দুই কনস্টেবল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেটে ২০২০ সালে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনে মৃত্যুর মামলায় এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া ফাঁসির রায় পেয়েছেন। পাশাপাশি কনস্টেবল হারুন অর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাস যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে আকবর পালিয়ে গেছেন এবং বেশিরভাগ আসামি জামিন নিয়ে পালিয়েছেন

সিলেটে ছয় বছর আগে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনে মৃত্যুর মামলায় প্রধান আসামি উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। একই মামলায় অভিযুক্ত কনস্টেবল হারুন অর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাসের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালত। রায়ের সময় হাজতে থাকা একমাত্র আসামি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহি শুধু আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিলেটে ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনে মৃত্যুর মামলায় এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া **ফাঁসির রায়** পেয়েছেন।
  • 📌 **কনস্টেবল হারুন অর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাস** যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
  • 📌 **এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহি ও আবদুল্লাহ আল নোমান** সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড পেয়েছেন।
  • 📌 **৬৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন** এবং রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তুষ্ট।
  • 📌 **আকবর হোসেন পালিয়ে গেছেন** এবং বেশিরভাগ আসামি জামিন নিয়ে পালিয়েছেন।
  • 📌 **রায়হান উদ্দিন আহমদের মা সালমা বেগম** দণ্ডপ্রাপ্তদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মনের শান্তি পাবেন না।
  • 📌 **আদালত** নির্যাতনের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে বলেছেন, পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো আটক ব্যক্তিকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করতে পারবে না।

📰 বিস্তারিত

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনসী আব্দুল মজিদ আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রায় দেন। মামলায় অভিযুক্ত পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া ফাঁসির রায় পেলেও তিনি পালিয়ে গেছেন। অন্যদিকে, এসআই হাসান উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহি ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড পেয়েছেন।

মামলায় ৬৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তুষ্ট। আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আকবর হোসেন, হারুন অর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাসকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ও দেওয়া হয়েছে। সাত বছর কারাদণ্ড পাওয়া আসামিদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান উদ্দিন আহমদকে নির্যাতন করা হয়। পরের দিন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রী মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশের অনুসন্ধান কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়। ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেনসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

রায়হানের মা সালমা বেগমের অভিযোগ, আকবর হোসেন জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ভারতে পালিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মনের শান্তি হবে না। তবে বর্তমানে মাত্র একজন আসামি হাজতে রয়েছেন। বাকিরা জামিন নিয়ে পালিয়েছেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, আটক অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করার অধিকার পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেই। কোনো ব্যক্তি দুর্ধর্ষ অপরাধী হলেও বিচার ছাড়া তাঁকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কারও নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেই আইনের শাসনের প্রকৃত পরীক্ষা হয়।

"আকবরের ফাঁসির রায় হয়েছে; কিন্তু তিনি তো পালিয়ে গেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র একজন হাজতে রয়েছেন। বাকিরা ধাপে ধাপে আদালত থেকে জামিন নিয়ে পালিয়েছেন। তাঁরা যেখানেই থাকুক, তাঁদের আটক করতে দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন রায়হানের মা সালমা বেগম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট মহানগর, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া, রায়হান উদ্দিন আহমদ, সালমা বেগম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯ জন সাক্ষী (মোট), ৬১ জন সাক্ষী (সাক্ষ্য দিয়েছেন), ১০ অক্টোবর ২০২০ (ঘটনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖