📌 গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের ৭৯.২ মেগাহার্জ তরঙ্গের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মোবাইল অপারেটররা সরকারের কাছে ২০ বছরের লাইসেন্স, কিস্তি বাড়ানো ও বার্ষিক চার্জ প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ছাড়ের সুবিধা নেওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকদের সেবা মানোন্নয়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে
মোবাইল অপারেটররা সরকারের কাছে ‘মামাবাড়ির আবদার’ জানিয়ে দাবি তুলেছে। গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের হাতে থাকা মোট ৭৯.২ মেগাহার্জ তরঙ্গের মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার আগেই তারা সরকারের কাছে ২০ বছরের লাইসেন্স, কিস্তি বাড়ানো এবং বার্ষিক চার্জ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, ছাড় ও সুবিধা পেলেও গ্রাহকদের নিম্নমানের সেবা দেওয়া যাবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭৯.২ মেগাহার্জ তরঙ্গের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মোবাইল অপারেটররা সরকারের কাছে ২০ বছরের লাইসেন্সের দাবি তুলেছে। আগের চেয়ে কমে গেছে তরঙ্গের দাম এবং বাড়েছে কিস্তির সংখ্যা।
- 📌 বিটিআরসি প্রস্তাবিত দাম ৯০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে প্রতি মেগাহার্জ ২৩৭ কোটি টাকা, ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ১৯৮ কোটি টাকা এবং ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ১৭২ কোটি টাকা। আগের তুলনায় গড়ে ৩০ শতাংশ কম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব ২৫ অক্টোবর চিঠি দিয়ে সরকারের কাছে ১৫ বছরের জন্য নির্ধারিত দামেই ২০ বছরের লাইসেন্স চেয়েছে। পাশাপাশি কিস্তির মেয়াদ ২০ বছর ও বার্ষিক চার্জ প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে তারা।
- 📌 বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, ছাড় ও সুবিধা পেলেও গ্রাহকদের কলড্রপ, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ধীরগতির ইন্টারনেটের সমস্যা সমাধান করতে হবে।
- 📌 বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জুয়েল বলেছেন, প্রথমবারের মতো গবেষণার ভিত্তিতে স্পেকট্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
মোবাইল অপারেটররা সরকারের কাছে ‘মামাবাড়ির আবদার’ জানিয়ে দাবি তুলেছে। গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের হাতে থাকা মোট ৭৯.২ মেগাহার্জ তরঙ্গের মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার আগেই তারা সরকারের কাছে ২০ বছরের লাইসেন্স, কিস্তি বাড়ানো এবং বার্ষিক চার্জ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। বিটিআরসি প্রস্তাবিত দাম ৯০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে প্রতি মেগাহার্জ ২৩৭ কোটি টাকা, ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ১৯৮ কোটি টাকা এবং ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ১৭২ কোটি টাকা। আগের তুলনায় গড়ে ৩০ শতাংশ কম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব ২৫ অক্টোবর বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. এমদাদ উল বারীকে চিঠি দিয়ে তাদের দাবি জানিয়েছে। তারা ১৫ বছরের জন্য নির্ধারিত দামেই ২০ বছরের লাইসেন্স চেয়েছে। পাশাপাশি কিস্তির মেয়াদ ২০ বছর ও বার্ষিক চার্জ প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে। এই দাবি মেনে নেওয়া হলে সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হতে পারে। বিটিআরসির প্রস্তাবিত ২০ বছরের মূল্যকাঠামোর পরিবর্তে ১৫ বছরের জন্য নির্ধারিত দামেই ২০ বছরের মেয়াদ দেওয়া হলে স্পেকট্রাম ফি বাবদ সরকারের সম্ভাব্য আয় কমতে পারে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোবাইল অপারেটররা শুধু আর্থিক ছাড় ও সুবিধা নেবেন, অথচ গ্রাহককে উন্নত সেবা দেওয়ার দায় নেবেন না। মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমাদের দেশে মোবাইল অপারেটরদের কাছে গ্রাহকরা একপ্রকার জিম্মি। অপারেটররা সরকারের কাছ থেকে নানা সুযোগ-সুবিধা নিলেও গ্রাহকদের নিম্নমানের সেবা দিচ্ছে। তরঙ্গ নবায়নে ছাড় দেওয়ার আগে গ্রাহকস্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।’
"আমাদের দেশে মোবাইল অপারেটরদের কাছে গ্রাহকরা একপ্রকার জিম্মি। অপারেটররা সরকারের কাছ থেকে নানা সুযোগ-সুবিধা নিলেও গ্রাহকদের নিম্নমানের সেবা দিচ্ছে। তরঙ্গ নবায়নে ছাড় দেওয়ার আগে গ্রাহকস্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জুয়েল, মহিউদ্দিন আহমেদ, এমটবের মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৯.২ মেগাহার্জ তরঙ্গ, ২৩৭ কোটি টাকা (৯০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড), ১৯৮ কোটি টাকা (১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড), ১৭২ কোটি টাকা (২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড), ৩০ শতাংশ (গড় কমন দাম), ৫ হাজার কোটি টাকা (সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব হ্রাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!