📌 জর্দান ও সিরিয়ার মধ্যে হামলার পরিণতি নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে। জর্দান দাবি করেছে যে তারা সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ইসিসের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসী হত্যা করেছে, কিন্তু সিরিয়া দাবি করেছে যে এই হামলা তাদের পূর্বানুমতি ছাড়া সংঘটিত হয়েছে। হামলায় একটি পরিবারের ৪ সদস্যের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একটি ৮০ বছর বয়সী পুরুষও ছিলেন
জর্দান ও সিরিয়ার মধ্যে হামলার পরিণতি নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে। জর্দানের বায়ুসেনা সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের দেরা ও সুওয়েইদা অঞ্চলে গত রবিবার সন্ধ্যায় ইসিসের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে। এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল গত সপ্তাহে জর্দানের গ্রীক অর্থোডক্স চার্চে সংঘটিত হামলার পেছনে দায়ী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া। কিন্তু এই হামলায় সিরিয়ার একটি পরিবারের ৪ সদস্যের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একটি ৮০ বছর বয়সী পুরুষও ছিলেন। সিরিয়া দাবি করেছে যে এই হামলা তাদের পূর্বানুমতি ছাড়া সংঘটিত হয়েছে এবং এটি ‘অত্যাচারী’ ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জর্দান দাবি করেছে যে তারা সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ইসিসের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে, কিন্তু সিরিয়া দাবি করেছে যে এই হামলা তাদের পূর্বানুমতি ছাড়া সংঘটিত হয়েছে।
- 📌 হামলায় একটি পরিবারের ৪ সদস্যের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একটি ৮০ বছর বয়সী পুরুষ (রিয়াদ কারাদ) ও একটি ৬০ বছর বয়সী পুরুষ (মুতলাক আবু আল-খালিল)ও ছিলেন।
- 📌 সিরিয়ার দেরা প্রদেশের আল-টাফ গ্রামে একটি টেন্টে আক্রমণে একটি বুড়ো মা ও তার তিনজন নাতি-নাতনী নিহত হয়।
- 📌 জর্দানের রাজা আব্দুল্লাহ দ্বিতীয় বলেছেন যে তারা ‘লোহার হাত’ দিয়ে প্রতিশোধ নেবেন।
- 📌 সিরিয়ার বিদেশ মন্ত্রণালয় বলেছে যে তারা জর্দানের এই হামলার পূর্বে তাদের ‘পূর্ণ বিরোধিতা’ জানিয়েছিল এবং এটি ‘অত্যাচারী’ ছিল।
📰 বিস্তারিত
গত রবিবার সন্ধ্যায় জর্দানের বায়ুসেনা সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ইসিসের ঘাঁটিতে আক্রমণ করে ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে। এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল গত সপ্তাহে জর্দানের গ্রীক অর্থোডক্স চার্চে সংঘটিত হামলার পেছনে দায়ী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া। এই হামলায় ৯ জন নিহত ও ৩৪ জন আহত হয়। জর্দানের রাজা আব্দুল্লাহ দ্বিতীয় বলেছেন যে তারা ‘লোহার হাত’ দিয়ে প্রতিশোধ নেবেন।
সিরিয়ার দেরা প্রদেশের আল-টাফ গ্রামে একটি টেন্টে আক্রমণে একটি বুড়ো মা ও তার তিনজন নাতি-নাতনী নিহত হয়। এই পরিবারের বাকি সদস্যরা আহত হয়েছেন। আল-শায়াহ ফার্মস নাসিবের কাছে এবং সুওয়েইদা প্রদেশের উত্তরে শুহাইব গ্রামে আরও দুজন সিরিয়ান নিহত হয়েছেন। একটি ৮০ বছর বয়সী পুরুষ রিয়াদ কারাদ এবং একটি ৬০ বছর বয়সী পুরুষ মুতলাক আবু আল-খালিলের মৃত্যু হয়।
সিরিয়ার বিদেশ মন্ত্রণালয় বলেছে যে তারা জর্দানের এই হামলার পূর্বে তাদের ‘পূর্ণ বিরোধিতা’ জানিয়েছিল এবং এটি ‘অত্যাচারী’ ছিল। সিরিয়ার বিদেশ মন্ত্রণালয় বলেছে যে এই হামলা তাদের পূর্বানুমতি ছাড়া সংঘটিত হয়েছে। সিরিয়ার নাগরিক প্রতিরক্ষা বলেছে যে এই হামলায় তিনজন পরিবারের সদস্য আহত হয়েছেন।
"দামেস্ক কর্তৃপক্ষের আশা ছিল যে তারা সিরিয়ানদের রক্ষা করতে পারবে এবং যখন তারা নিহত বা আহত হয় তখন তারা জবাব দিতে পারবে। যদি লোকেরা মনে করে দামেস্ক জর্দানীয়দের সাথে সম্পর্ক রক্ষার চেয়ে দায়িত্বশীলতা বেশি গুরুত্ব দেয়, তাহলে কিছুটা রোষের অভিমুখ পরিবর্তন হতে পারে।"
সিরিয়ার নাসিব সীমান্তে গত মঙ্গলবার জর্দানীয় সীমান্ত বন্ধ ছিল। কিন্তু বুধবার সকালে সীমান্ত আবার খোলা হয় এবং যাত্রী ও বাণিজ্যিক যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরিয়ার দেরা ও সুওয়েইদা প্রদেশ, জর্দানের হামুদ গ্রাম, নাসিব সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাভার সাবান (আরব সেন্টার ফর কনটেম্পরারি সিরিয়ান স্টাডিজ), সিন ইয়োম (টেম্পল ইউনিভার্সিটি), সিরিয়ার বিদেশ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, রিয়াদ কারাদ (৮০ বছর বয়সী), মুতলাক আবু আল-খালিল (৬০ বছর বয়সী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন (ইসিসের সন্ত্রাসী), ৯ জন (চার্চ হামলায় নিহত), ৩৪ জন (চার্চ হামলায় আহত), ১২০ কিলোমিটার (হামুদ থেকে আম্মান পর্যন্ত দূরত্ব), ৮০ বছর (রিয়াদ কারাদ), ৬০ বছর (মুতলাক আবু আল-খালিল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!