📌 বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি) নতুনভাবে শুরু করেছে। প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন জানান, এখন থেকে এই ইউনিটের কার্যক্রম সারা বছর চলবে এবং পেস বোলারদের জন্য আলাদা বিভাগ গঠন করা হয়েছে। জাতীয় দলের বিকল্প খেলোয়াড় তৈরি নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য
বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে নতুন যুগের সূচনা করেছে বিসিবি হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি)। প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন বলেছেন, এইচপির কার্যক্রম আগের মতো তিন-চার মাসের পরিবর্তে সারা বছর ধরে চলবে। এতে খেলোয়াড়দের সারাবছর মনিটরিং করা হবে এবং তাদের সর্বোচ্চ অনুশীলন সুবিধা প্রদান করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সারা বছর কার্যক্রম: এইচপির প্রোগ্রাম আগের মতো তিন-চার মাসের পরিবর্তে এখন সারা বছর ধরে চলবে। খেলোয়াড়দের সারাবছর মনিটরিং করা হবে এবং তারা যেন সর্বোচ্চ অনুশীলন সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করা হবে।
- 📌 মূল লক্ষ্য: আন্তর্জাতিক মান: জাতীয় দলের বিকল্প খেলোয়াড় তৈরি নয়, বরং ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক মানের মতো গড়ে তোলাই এইচপির মূল লক্ষ্য। সালাহউদ্দীন বলেন, “একজন খেলোয়াড়কে জাতীয় দলে পাঠিয়ে দেবার স্বপ্ন কোনো কোচের নয়। আসল চ্যালেঞ্জ হলো তাদের সর্বোচ্চ মান অতিক্রম করা।”
- 📌 পেস বোলারদের বিশেষ ফোকাস: পেস বোলিং ইউনিটে ২০ জন তরুণ বোলারকে ফিটনেস এবং মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। তারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে অনুশীলন করতে পারবে।
- 📌 রিহ্যাব প্রোগ্রাম এইচপির আওতায়: বিসিবির রিহ্যাব প্রোগ্রাম এইচপির অধীনে আসছে। জাতীয় দলের সাবেক ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন এই প্রোগ্রামের নেতৃত্ব দেবেন। পেস বোলারদের জন্য পেস বোলিং কোচও যুক্ত থাকবেন।
- 📌 বড় কোচিং প্যানেল: আগের মতো তিন-চারজন কোচের পরিবর্তে এইচপিতে ১২-১৩ জন কোচ থাকবেন। প্রতিটি বিভাগে অন্তত তিনজন কোচ থাকবেন।
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন বলেছেন, এইচপির স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের ছাড়া অন্যান্য বিভাগেও সুবিধা দেওয়া হবে। উদাহরণস্বরূপ, আগের মতো আলাদা ‘টাইগার্স’ ইউনিট থাকবে না। এইচপির কোচরাই জাতীয় দলের সঙ্গে যোগসূত্র রেখে তাদের প্রয়োজনীয়তা সরাসরি জানবেন। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা প্রয়োজন অনুযায়ী ১০-১৫ দিনের জন্য এইচপিতে এসে বিশেষ অনুশীলন করতে পারবেন।
সালাহউদ্দীন আরও জানান, “আমরা চেষ্টা করছি রিহ্যাব প্রোগ্রাম এইচপির আওতায় আনতে। অনেক সময় চোটে পড়ার পর খেলোয়াড়দের ফিরে আসতে তিন-চার বছর সময় লেগে যায়। এইচপির রিহ্যাব প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় তাদের ফিটনেস বাড়িয়ে দ্রুত খেলায় ফিরিয়ে আনা হবে।”
পেস বোলারদের জন্য আলাদা বিভাগ গঠনের কারণ তিনি ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের পেস বোলিং ইউনিটে থাকবে মূলত তরুণ বোলাররা। তাদের ফিটনেস আরও ভালো করার পাশাপাশি, তারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে অনুশীলন করতে পারবে। এতে তাদের মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি পাবে।”
"আমি একটা ছেলেকে এনে জাতীয় দলে পাঠিয়ে দেব, এটা কোনো কোচের স্বপ্ন হতে পারে না। সে ওই জায়গায় গিয়ে কত দিন টিকে থাকতে পারবে, সর্বোচ্চ মানে গেল কি না, সেটাই আসল। আমাদের খেলোয়াড়দের এখন সর্বোচ্চ যে মানটা আছে, আমরা যেন সেটাকে অতিক্রম করে যেতে পারি—এটাই হবে এইচপির লক্ষ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন (বিসিবি এইচপি প্রধান কোচ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
- ২০ জন: পেস বোলারদের সংখ্যা
- ১০-১৫ দিন: জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের এইচপিতে অনুশীলনের সময়সীমা
- ১২-১৩ জন: এইচপির কোচিং প্যানেলের আকার
- ৩-৪ বছর: চোটে পড়ার পর খেলোয়াড়দের ফিরে আসতে লেগে যাওয়া সময়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!