📌 দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ভারতীয় ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে এবং ভারত থেকে ইলিশ আমদানিও স্থগিত করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছেন
দুর্গাপূজা মৌসুমে বাংলাদেশ ভারতীয় ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে এবং ভারত থেকে ইলিশ আমদানিও সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের মাছপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতীয় ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করেছে এবং ভারত থেকে ইলিশ আমদানিও স্থগিত করেছে।
- 📌 বাংলাদেশ সরকার ২৩ সেপ্টেম্বর জারি করা সার্কুলার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ছাড়পত্র বাতিল করেছে।
- 📌 প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ইলিশ আমদানির অনুমতি দিত, কিন্তু এবার সেই সুযোগ পেরিয়ে গেছে।
- 📌 ৭ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে ইলিশ ধরা বন্ধ হয়ে যাবে, ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে আর ইলিশ আমদানির কোনো সুযোগ নেই।
- 📌 ভারত থেকে বাংলাদেশে ৫০০ টন বেশি ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছিল, কিন্তু এবার বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের কারণে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা হতাশ।
- 📌 পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং হাওড়া পাইকারি মাছ বাজারের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ছাড়পত্র বাতিল করা হয়েছে।
- 📌 ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ভারতের বাজারে ইলিশ রপ্তানি করত, কিন্তু এবার সেই প্রথা বন্ধ হয়ে গেছে।
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ভারতীয় ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে এবং ভারত থেকে ইলিশ আমদানিও স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের মাছপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছেন।
পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং হাওড়া পাইকারি মাছ বাজারের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ ইকোনমিক টাইমসকে জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্ত ছাড়পত্র ২৩ সেপ্টেম্বর জারি করা একটি সার্কুলারের মাধ্যমে আকস্মিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ইলিশ আমদানির অনুমতি দিত এবং সেই আমদানির পরিমাণও নির্দিষ্ট করে দিত। কিন্তু এবার সেই নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে।
সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ আরও বলেন, ৭ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে জেলেদের ইলিশ ধরা বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে এবার আর ইলিশ আমদানির কোনো সুযোগ অবশিষ্ট নেই। বাংলাদেশ থেকে আসা ইলিশের, বিশেষ করে বিখ্যাত পদ্মার ইলিশের পশ্চিমবঙ্গে ও ভারতের বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
গত আগস্ট মাসেই ভারতীয় ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল বিশেষ সফরে ঢাকায় এসে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে তারা ভারতে ইলিশ রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে এবার সেই সুযোগ পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
"বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তোলপাড়ের সময়েও ভারতের আমদানিকারকদের ইলিশ আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবার সেই সুযোগ মিলছে না।"
পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশের চলাচল এখন সম্পূর্ণ থমকে গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ভারতের বাজারে ইলিশ প্রবেশের বিষয়টিও হয়তো আর অনুমোদন করবে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, পশ্চিমবঙ্গ (কলকাতা, হাওড়া), চট্টগ্রাম, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ, কার্তিক চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টন (ইলিশ রপ্তানি), ২৩ সেপ্টেম্বর (সার্কুলার জারি), ৭ অক্টোবর (প্রজনন মৌসুম শুরু), ১৫-২০ সেপ্টেম্বর (আমদানি সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!