📌 ১৩ বছর বয়সী পিকলবল খেলোয়াড় এলসি হেন্ডারশট বিশ্বভ্রমণ ও ভিসা জটিলতার মধ্য দিয়ে ভিয়েতনামের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য জাপান থেকে সরাসরি বিমানে উড়ে আসেন। তার বাবা কেড ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে পরিবারকে জাপানে ফিরে আসতে হয়, কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভিসা পেয়ে এলসি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে সক্ষম হন
১৩ বছর বয়সী পিকলবল খেলোয়াড় এলসি হেন্ডারশটের জীবন একটি অদ্ভুত মিশ্রণ — প্রতিভা, ভ্রমণ ও প্রশাসনিক জটিলতার। পিকলবলের নতুন প্রজন্মের অন্যতম মুখ হিসেবে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছেন, কিন্তু ভিয়েতনামে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য তার পরিবারকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হয়েছে। ভিসা জটিলতার কারণে পরিবারকে জাপানে ফিরে আসতে হয়, কিন্তু শেষ মুহূর্তে জরুরি ব্যবস্থা করে এলসি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে সক্ষম হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৩ বছর বয়সী এলসি হেন্ডারশট পিকলবলের নতুন প্রজন্মের অন্যতম তারকা, যিনি বিশ্বব্যাপী প্রতিভা প্রদর্শন করছেন।
- 📌 ভিয়েতনামের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য পরিবার ইউটা থেকে গাড়ি চালিয়ে লাস ভেগাস, সান ফ্রান্সিসকো, জাপান এবং শেষে ভিয়েতনামের হ্যানোয়া পৌঁছান।
- 📌 ১১ ঘণ্টার বিমানযাত্রা করে জাপান থেকে ভিয়েতনামে যাওয়ার সময় ভিসা জটিলতার কারণে পরিবারকে জাপানে ফিরে আসতে হয়।
- 📌 ১২ বছর বয়সে পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন এলসি, এবং ১৬-অনূর্ধ্ব জুনিয়র টুর্নামেন্ট জিতেছিলেন।
- 📌 পিকলবলে আয়ের ৮০% আসে পুরস্কার ও ফি থেকে, বাকি ২০% স্পনসরশিপ থেকে। শীর্ষ খেলোয়াড়রা কোটি কোটি টাকা আয় করেন।
- 📌 ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে বাঁহাতি খেলোয়াড় এলসি শরীরের সঙ্গে খেলার কৌশল মানিয়ে নিয়েছেন।
- 📌 পিকলবল খেলার জন্য ১০ বছর বয়সেই বিশ্বসেরা অ্যানা লি ওয়াটার্সের সাক্ষাৎকার দেখে বাবা কেডের মনে হয়েছিল, এই খেলাই হবে মেয়ের ভবিষ্যৎ।
📰 বিস্তারিত
১৩ বছর বয়সী এলসি হেন্ডারশটের জীবন একটি অদ্ভুত মিশ্রণ — প্রতিভা, ভ্রমণ ও প্রশাসনিক জটিলতার। ভিয়েতনামে পৌঁছানোর পর এলসি ভেবেছিলেন কঠিন কাজটা শেষ হলো। কিন্তু ভিসা জটিলতার কারণে পরিবারকে জাপানে ফিরে আসতে হয়। এলসির বাবা কেড ভিসা আবেদন করতে গিয়ে বুঝতে পারেন, ভিয়েতনামের নতুন নিয়মে তাদের আবেদন মঞ্জুর হয়নি। ফলে পরিবারকে জাপানে ফিরে আসতে হয়। এলসির মা মেগানকে এই ঝামেলা দেখে ভীষণ অসহায় মনে হয়েছিল। পরিবারের খেলার সুবিধার্থে ইউটার ম্যাপলটন শহরে দুটি পিকলবল কোর্ট তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এলসির প্রতিভা তাকে চারদেয়ালের মধ্যে আটকে রাখতে চায় না।
পিকলবল খেলোয়াড়দের মূল আয় আসে স্পনসরশিপ থেকে। এলসি ‘প্যাডলটেক’ নামের ব্র্যান্ডের সঙ্গে বহু বছরের চুক্তি করেছে, যারা তার যাতায়াত ও ভ্রমণের সব খরচ বহন করে। পিকলবলে পারিশ্রমিকের ২০ শতাংশ অর্থ এবং ৮০ শতাংশ আসে পুরস্কার ও ফি থেকে। শীর্ষ ২০ জন খেলোয়াড় ভালো আয় করেন এবং অ্যানা লি ওয়াটার্সের মতো ১ নম্বর তারকা স্পনসরশিপ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেন।
এলসি ১০ বছর বয়সেই পিকলবল খেলা শুরু করেছিলেন। তার বাবা কেড বিশ্বসেরা অ্যানা লি ওয়াটার্সের সাক্ষাৎকার দেখে বুঝতে পারেন যে, এই খেলাই হবে মেয়ের ভবিষ্যৎ। এলসি বড় ভাইদের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া ও টুর্নামেন্টে বয়সে বড়দের হারিয়ে প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন এবং ১৬-অনূর্ধ্ব জুনিয়র টুর্নামেন্ট জিতেছিলেন।
"ভিসা আসলে কী জিনিস, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই নেই। তবে এটুকু বুঝি যে ওটা আমাদের খুব জরুরিভাবে দরকার ছিল।"
এলসির বাবা কেডের বুদ্ধিতে জরুরি ভিসার ব্যবস্থা হয়। জাপানে এক রাত কাটিয়ে বিমানে পাঁচ ঘণ্টা ঘুমিয়েই হ্যানয়ে পৌঁছে সরাসরি টুর্নামেন্টের কোর্টে নেমে পড়ে এলসি। এলসির ঘন ঘন ভ্রমণের চাপ সামলানোই পরিবারটির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভিয়েতনামের হ্যানোয়া, জাপান, সান ফ্রান্সিসকো, লাস ভেগাস, ইউটার ম্যাপলটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলসি হেন্ডারশট (১৩), কেড হেন্ডারশট (বাবা), মেগান হেন্ডারশট (মা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর, ১১ ঘণ্টা, ৭ থেকে ১৭ বছর, ১০ বছর, ১২ বছর, ১৬-অনূর্ধ্ব, ২২৫ মিলিয়ন ডলার, ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!