📌 ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি তিন বছর পর আবার দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হন। বিশ্বকাপ যোগ্যতা হারিয়ে নেশনস লিগে নতুন শুরু করার লক্ষ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও শুরুতেই ধাক্কা খেল দলটি। সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের
ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনি তিন বছর পর আবার দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হন। উয়েফা নেশনস লিগের এই হার ইতালিকে নতুন শুরু করার লক্ষ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টাকে বাজে অভিজ্ঞতার সাথে শুরু করতে বাধ্য করেছে। বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বার খেলার যোগ্যতা হারিয়ে নেশনস লিগে নতুন করে শুরু করার লক্ষ্যে দলকে নিয়ে এসেছিলেন মানচিনি, কিন্তু শুরুতেই দলটি ধাক্কা খেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২-০ গোলে হার: ইতালি বেলজিয়ামের কাছে নিজেদের মাঠে প্রথম ম্যাচে পরাজিত হন। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার এবং ডিফেন্ডারদের সেভের বাইরে দলটি গোল করতে ব্যর্থ হন।
- 📌 মিকা গডস্টের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক গোল: বেলজিয়ামের মিকা গডস্ট প্রথমার্ধে ২০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলটি ছিল তার জাতীয় দলের হয়ে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক গোল।
- 📌 দোদি লুকেবাকিও দ্বিতীয় গোল: দ্বিতীয়ার্ধে দোদি লুকেবাকিও বক্সের বাইরে থেকে শক্তিশালী শটে ইতালির জালে গোল করেন, যা ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন।
- 📌 সমর্থকদের দুয়ো: ম্যাচ শেষে ইতালির খেলোয়াড়দের দুয়ো শুনতে হয়েছিল ঘরের মাঠে। মানচিনি বলেন, ‘হারলে কেউই খুশি থাকে না, দুয়ো শুনতে হয়’।
- 📌 তুরস্ক ও ফ্রান্সের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ: ইতালির সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর আরেকটি সুযোগ। সোমবার তুরস্কের বিপক্ষে এবং এরপর ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
২০২১ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতানোর পর মানচিনি ২০২৩ সালের আগস্টে সৌদি আরবের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন বছর পর আবার ইতালির কোচ হিসেবে ফেরার পর তিনি প্রথম ম্যাচেই হারের মুখোমুখি হন। বিশ্বকাপ যোগ্যতা হারিয়ে নেশনস লিগে নতুন শুরু করার লক্ষ্যে দলকে নিয়ে এসেছিলেন মানচিনি, কিন্তু শুরুতেই দলটি ধাক্কা খেয়েছে।
বেলজিয়ামের বিপক্ষে প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার চাপে পড়ে মানচিনির দল। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভের মাধ্যমে দলকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন। তবে প্রথমার্ধে মিকা গডস্টের গোলের মাধ্যমে বেলজিয়াম ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। গডস্টের গোলটি ছিল তার জাতীয় দলের হয়ে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে ইতালি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। বরং পাল্টা আক্রমণ থেকে দোদি লুকেবাকিও বক্সের বাইরে থেকে শক্তিশালী শটে ইতালির জালে গোল করেন। ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে এই গোলের মাধ্যমে বেলজিয়ামের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন।
ম্যাচ শেষে সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। মানচিনি বলেন, ‘আমরা যখন হারি, তখন কেউই খুশি থাকে না। আপনি যখন হারবেন, তখন দুয়ো শুনতেই পারেন।’
"আমরা যখন হারি, তখন কেউই খুশি থাকে না। আপনি যখন হারবেন, তখন দুয়ো শুনতেই পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতালি (নিজেদের মাঠ), বেলজিয়ামের বিপক্ষে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কোচ রবার্তো মানচিনি, মিকা গডস্ট, জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার, দোদি লুকেবাকিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-০ গোলের ব্যবধানে পরাজয়, ২০ মিনিটে গোল, ১-০ গোলের ব্যবধানে ফ্রান্সের জয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!