📌 স্থানীয় সরকার বিভাগ সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। দেশের সব হাট-বাজারে ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করে নেট মিটারিং পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকারের উপসচিব সুলতানা আক্তারের স্বাক্ষরিত নির্দেশনা অনুযায়ী, হাট-বাজারের ইজারালব্ধ আয় থেকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হবে
স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি হাট ও বাজারে ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা-২ শাখা থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, সব উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত সব হাট-বাজারে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশনা জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
- 📌 স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সুলতানা আক্তার স্বাক্ষরিত নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ন্যূনতম ২ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ থাকতে হবে।
- 📌 সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা অর্থ পাওয়া যাবে।
- 📌 হাট ও বাজারের ইজারালব্ধ আয় থেকে ১০ শতাংশ অর্থ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পে বরাদ্দ করা হবে।
- 📌 সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সাথে ২০ বছর মেয়াদী মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার বিভাগের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি উপজেলার হাট ও বাজারে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিভিন্ন বাজারে নির্মিত চার-পাঁচতলা ভবনের ছাদের আয়তন বিবেচনায় নিয়ে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা অর্থ পাওয়া যাবে। এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্ব আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১০-এর উপবিধি (৩) ও (৫) অনুযায়ী হাট ও বাজারের ইজারালব্ধ আয় থেকে অর্থ ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া, উপজেলার অন্তর্গত হাট ও বাজারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত ইজারালব্ধ আয়ের ১০ শতাংশ অর্থ থেকে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সাথে পরবর্তী ২০ বছর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে স্থাপিত সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
"টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যমান দাপ্তরিক ভবন এবং আওতাধীন ভবনগুলোর ছাদে ব্যাটারিসহ সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেশের সব উপজেলার হাট ও বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সুলতানা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
- ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ — সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের শেষ তারিখ
- ২৪ সেপ্টেম্বর — নির্দেশনা জারি তারিখ
- ১০ টাকা ৫০ পয়সা — প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য অর্থ
- ২ ঘণ্টা — সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ব্যাটারি ব্যাকআপ
- ২০ বছর — মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি মেয়াদ
- ১০ শতাংশ — ইজারালব্ধ আয় থেকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পে বরাদ্দ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!