📌 দ্য অ্যাথলেটিকের রিপোর্টে জানা গেছে, ম্যানচেস্টার সিটিকে আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৪টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে শাস্তির ধরন ও পরিমাণ এখনো নির্ধারিত হয়নি। অভিযোগের সময়কালে ক্লাবটি জিতেছে আটটি বড় ট্রফি, কিন্তু শিরোপা কেড়ে নেওয়া বা অবনমনের সম্ভাবনা রয়েছে
ম্যানচেস্টার সিটিকে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ১১৪টি দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দ্য অ্যাথলেটিকের রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। তবে শাস্তির ধরন ও পরিমাণ এখনো স্বাধীন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। ক্লাবটি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সম্ভাবনা রয়েছে, ফলে শাস্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটিকে ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যা খেলাধুলার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ঘটনা
- 📌 অভিযোগের সময়কালে (২০০৯–১৮) ক্লাবটি জিতেছে তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, তিনটি লিগ কাপ ও দুটি এফএ কাপ — মোট আটটি বড় ট্রফি
- 📌 সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে শিরোপা কেড়ে নেওয়া, প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন, পয়েন্ট কাটা, বড় অঙ্কের জরিমানা বা খেলোয়াড় নিবন্ধনের নিষেধাজ্ঞা
- 📌 অভিযোগের পাঁচটি প্রধান বিভাগ: ৫৪টি সঠিক আর্থিক তথ্য দিতে ব্যর্থতা, ১৪টি পারিশ্রমিক তথ্য দিতে ব্যর্থতা, ৫টি উয়েফা নিয়ম ভঙ্গ, ৭টি প্রিমিয়ার লিগের পিএসআর নিয়ম ভঙ্গ, ৩৫টি সহযোগিতা না করা
- 📌 সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর অন্য ক্লাবগুলোরও দাবি বিবেচিত হতে পারে, যদি তারা ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে
📰 বিস্তারিত
দ্য অ্যাথলেটিকের রিপোর্টে জানা গেছে, ম্যানচেস্টার সিটিকে ২০০৯–১০ থেকে ২০১৭–১৮ মৌসুম পর্যন্ত আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। বিবিসি এই ঘটনাকে "খেলাধুলায় শতাব্দীর আলোচিত বিচার" বলে উল্লেখ করেছিল। তবে শাস্তির ধরন এখনো নির্ধারিত হয়নি। স্বাধীন কমিশনকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, ক্লাবটিকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে।
সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাঁচটি প্রধান বিভাগ রয়েছে:
- ৫৪টি অভিযোগ: ২০০৯–১০ থেকে ২০১৭–১৮ মৌসুমে সঠিক আর্থিক তথ্য প্রদানের ব্যর্থতা
- ১৪টি অভিযোগ: খেলোয়াড় ও কোচদের পারিশ্রমিক সম্পর্কিত সঠিক তথ্য প্রদানের ব্যর্থতা
- ৫টি অভিযোগ: ২০১৩–১৪ থেকে ২০১৭–১৮ মৌসুমে উয়েফার ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নিয়ম ভঙ্গ
- ৭টি অভিযোগ: ২০১৫–১৬ থেকে ২০১৭–১৮ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের পিএসআর নিয়ম ভঙ্গ
- ৩৫টি অভিযোগ: ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে সহযোগিতা না করা
- 📍 স্থান: ম্যানচেস্টার, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাব, দ্য অ্যাথলেটিকের রিপোর্টার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৫টি অভিযোগ (১১৪টি দায়ে দোষী), ৮টি ট্রফি (৩ প্রিমিয়ার লিগ, ৩ লিগ কাপ, ২ এফএ কাপ)
অভিযোগের সময়কালে (২০০৯–১৮) ম্যানচেস্টার সিটি জিতেছে তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, তিনটি লিগ কাপ ও দুটি এফএ কাপ — মোট আটটি বড় ট্রফি। তবে শিরোপা কেড়ে নেওয়া বা অবনমনের সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাধীন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে শাস্তির ধরন নির্ধারণ করা হবে।
সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর অন্য ক্লাবগুলোরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি কোনো ক্লাব দাবি করে যে তাদের লিগ অবস্থান বা ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেই দাবিও আলাদাভাবে বিবেচিত হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
"দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর পরবর্তী ধাপ হলো শাস্তি নির্ধারণ। সিটির আপিলের সুযোগও থাকবে। তাই কোনো শিরোপা বাতিল হবে কি না, বা ক্লাবটি অবনমিত হবে কি না, তা জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।"
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!