📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহের আওতায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থের উদ্যোগে র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন এবং সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহের আওতায় তরুণ-শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশের উদ্যোগে র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সিসাদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসাদূষণ প্রতিরোধের র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 ‘সিসাদূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ প্রতিপাদ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন
- 📌 পিওর আর্থের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাশ বলেন, সিসার উৎস শনাক্ত ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন
- 📌 ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান বলেন, অনিরাপদ সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম কনক বলেন, আইনি সহায়তা ও কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন সিসাদূষণ প্রতিরোধে
- 📌 ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু করে দেশের আট বিভাগে সপ্তাহব্যাপী সিসাদূষণ প্রতিরোধের কর্মসূচি চলছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহের আওতায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশের উদ্যোগে সিসাদূষণের উৎস, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগে র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাশ বলেন, ‘শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতে সিসার উৎস শনাক্ত ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা, পরিবেশসম্মত ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’ তিনি আরও বলেন, পিওর আর্থ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যৌথভাবে সম্প্রসারিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করছে। এই নির্দেশিকা লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির কার্যকর সংগ্রহ, ট্র্যাকিং ও পরিবেশসম্মত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়তা করবে।
ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান বলেন, ‘অপরিকল্পিত ও অনিরাপদ সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শুধু শ্রমিকদের নয়, আশপাশের পুরো জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।’ তিনি ক্ষতিকর শিল্পপ্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং নীতিগত পরিবর্তনের দাবি জোরদার করেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম কনক বলেন, ‘সিসাদূষণ প্রতিরোধ করতে হলে আইনের সহায়তা নিতে হবে এবং নীতিমালার আওতায় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি আইনি সহায়তা ও কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন।
ইয়ুথনেট গ্লোবালের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়কারী হৃদিকা আহসান শ্রেয়া বলেন, ‘মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগ সিসাদূষণ প্রতিরোধের কাজকে এগিয়ে নিতে পারে।’
"শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতে সিসার উৎস শনাক্ত ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা, পরিবেশসম্মত ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিতালী দাশ (পিওর আর্থ), সোহানুর রহমান (ইয়ুথনেট গ্লোবাল), আমিনুল ইসলাম কনক (রাবি অধ্যাপক), হৃদিকা আহসান শ্রেয়া (ইয়ুথনেট গ্লোবাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!