📌 নওগাঁর তরুণ জলবায়ু কর্মী মামুনুর রেজা জাতিসংঘের কপ-৩১ সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা ও পানির সংকট তুলে ধরবেন। তিনি জলবায়ু অভিযোজন ও অর্থায়নের দাবি জানাবেন
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা ও পানির সংকট নিয়ে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য দেবেন নওগাঁর তরুণ জলবায়ু কর্মী মো. মামুনুর রেজা। এই সম্মেলনে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরবেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর আকর্ষণ করবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মামুনুর রেজা তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিত কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন — প্রথমবারের মতো নওগাঁ থেকে একজন তরুণ জলবায়ু কর্মী আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিচ্ছেন।
- 📌 তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা, পানির সংকট ও কৃষির ক্ষতি নিয়ে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য রাখবেন এবং জলবায়ু অভিযোজন ও অর্থায়নের দাবি জানাবেন।
- 📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মামুনুর রেজা নওগাঁভিত্তিক সংগঠন ‘ভয়েস’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘মিশন গ্রিন বাংলাদেশ’-এর প্রচার সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন।
- 📌 সম্মেলনে তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠপর্যায়ের তথ্য ও চিত্র সংগ্রহ করে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধিদলকে তুলে দেবেন।
- 📌 মামুনুর রেজা বলেছেন, ‘বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের সুরক্ষা ও অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু তহবিলের বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে’।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এর ৩১তম আসর তুরস্কের আনতালিয়ায় আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, পরিবেশবিদ ও উন্নয়ন কর্মীদের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। নওগাঁর তরুণ জলবায়ু কর্মী মো. মামুনুর রেজা এই সম্মেলনে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা ও পানির সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি বলেছেন, শুধু কার্বন নিঃসরণ কমানো নয়, বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের সুরক্ষা ও অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু তহবিলের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
মামুনুর রেজা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং নওগাঁভিত্তিক যুব সংগঠন ‘ভয়েস’-এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পরিবেশবিষয়ক জাতীয় সংগঠন ‘মিশন গ্রিন বাংলাদেশ’-এর প্রচার সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। বরেন্দ্র অঞ্চলে বেড়ে ওঠার কারণে তিনি খরাপ্রবণ এলাকার পানির সংকট, প্রখর তাপপ্রবাহ ও কৃষির ক্ষতির বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। এই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের লড়াই ও দাবি তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সম্মেলনে তিনি মূলত জলবায়ু অভিযোজন, ক্ষয়ক্ষতি ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি বলেছেন, ‘অনুদানের বড় অংশ প্রশাসনিক কাজে খরচ হয়ে যায়, কিন্তু মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বাংলাদেশের ক্ষতির মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে ন্যায্য অর্থায়ন আদায়ের দাবি তোলা দরকার।’
সম্মেলন থেকে ফিরে তিনি নওগাঁসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের তরুণদের মধ্যে জলবায়ু সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। তিনি মাঠপর্যায়ের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধিদলকে তুলে দেবেন, যাতে আন্তর্জাতিক আলোচনার টেবিলে স্থানীয় বাস্তবতা যথাযথভাবে তুলে ধরা যায়।
"শুধু কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে জলবায়ু সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বরেন্দ্র অঞ্চলের মতো অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের সুরক্ষা, অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানো এবং জলবায়ু তহবিলের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নওগাঁ (বাংলাদেশ), তুরস্কের আনতালিয়া (কপ-৩১ সম্মেলন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মামুনুর রেজা (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ‘ভয়েস’ প্রতিষ্ঠাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১তম কপ সম্মেলন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!