📌 টাঙ্গাইল মির্জাপুরের ভাওড়া ইউনিয়নে ইউরিয়া সার বহনকারী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে উল্টে পড়ে। ৩০০ বস্তা সার পানিতে গলে যাওয়ায় ডিলার আমজাদ হোসেনের প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি
টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় শুক্রবার দুপুরে একটি ইউরিয়া সার বহনকারী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে উল্টে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় ৩০০ বস্তা সার পানিতে গলে যাওয়ায় ডিলার আমজাদ হোসেনের প্রায় চার লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলটি ভাওড়া ইউনিয়নের ভাওড়া সরকারপাড়া এলাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নে ইউরিয়া সার বহনকারী ট্রাক পুকুরে উল্টে পড়ে
- 📌 ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার পানিতে গলে যাওয়ায় ডিলার আমজাদ হোসেনের চার লাখ টাকার ক্ষতি
- 📌 ট্রাকের ড্রাইভার ও হেলপার দুর্ঘটনার পর থেকেই পলাতক
- 📌 মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি
- 📌 মির্জাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঘোড়াশাল কারখানায় থেকে ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার উত্তোলন করে নিজ ইউনিয়ন ভাওড়ায় নিয়ে যাচ্ছিলেন ডিলার আমজাদ হোসেন। পথিমধ্যে সরু রাস্তায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের পুকুরে উল্টে পড়ে যায়। ডিলার আমজাদ হোসেন জানান, গ্রামের রাস্তাটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে সার সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে তাঁর প্রায় চার লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাক উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইউরিয়া সার পানিতে পড়ে যাওয়ার পরপর তা গলে গেছে।
মির্জাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।
"গ্রামের রাস্তাটি অত্যন্ত সরু হওয়ার কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে সম্পূর্ণ সার নষ্ট হয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মির্জাপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল, ভাওড়া ইউনিয়ন, ভাওড়া সরকারপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমজাদ হোসেন (ডিলার), আব্দুল্লাহ আল মামুন (ওসি), মাহমুদা খাতুন (কৃষি কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার, প্রায় ৪ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!