📌 নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। এক নারী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটে লাহেড়ী বাড়ি এলাকায়
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় শুক্রবার দুপুরে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এক নারী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটে কেন্দুয়া-নেত্রকোণা সড়কের দুর্গাপুর মোড়সংলগ্ন লাহেড়ী বাড়ি এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের বাবা-ছেলে মাহমুদুল হক শাহীন (৪০) ও তার ছেলে রাজিন (৬)।
- 📌 দুর্ঘটনায় আহত এক নারী বর্তমানে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন, অবস্থা আশঙ্কাজনক।
- 📌 দুর্ঘটনা ঘটে ৩০ অক্টোবর দুপুরে কেন্দুয়া-নেত্রকোণা সড়কের লাহেড়ী বাড়ি এলাকায়।
- 📌 নিহত ব্যক্তিরা ছিলেন দলিল লেখক মাহমুদুল হক শাহীন ও তার ছেলে রাজিন।
- 📌 ওসি তরিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
৩০ অক্টোবর দুপুরে কেন্দুয়া-নেত্রকোণা সড়কের লাহেড়ী বাড়ি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মোটরসাইকেলে থাকা বাবা-ছেলে ও এক নারী ছিটকে সড়কে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবা ও ছেলেকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদুল হক শাহীন ওরফে শাহীন সরকার (৪০) ও তার ছেলে রাজিন (৬)। শাহীন কেন্দুয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একজন দলিল লেখক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছে। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
"সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছে। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দুয়া উপজেলা, নেত্রকোণা, লাহেড়ী বাড়ি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদুল হক শাহীন (৪০), রাজিন (৬), ওসি মো. তরিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি মোটরসাইকেল, ৬ বছর বয়সী ছেলে, ৪০ বছর বয়সী বাবা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!