📌 মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার তরুণ কৃষক মো. হাসানুর রহমান শখের বশে পাঁচ শতাংশ জমিতে চাষ করেছেন বাহারি 'ব্ল্যাকবেরি' ও 'ইয়েলো মেলন' জাতের তরমুজ। মাচায় ঝুলে থাকা ফলগুলো স্থানীয়দের আকর্ষণ করে চলেছে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার তরুণ কৃষক মো. হাসানুর রহমান শখের বশে অল্প জমিতে চাষ করেছেন ব্যতিক্রমী রঙের তরমুজ। বিনোদপুর ইউনিয়নের ভাবনপাড়া গ্রামের এই কৃষক মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে 'ব্ল্যাকবেরি' ও 'ইয়েলো মেলন' জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। মাচায় ঝুলে থাকা হলুদ ও সবুজ রঙের ফলগুলো পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার তরুণ কৃষক মো. হাসানুর রহমান শখের বশে চাষ করেছেন 'ব্ল্যাকবেরি' ও 'ইয়েলো মেলন' জাতের তরমুজ
- 📌 মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে মাচায় ঝুলে থাকা ফলগুলো স্থানীয়দের আকর্ষণ করে চলেছে
- 📌 ২০ গ্রাম বীজ কিনতে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টাকা, নিজেই চারা তৈরি করেছেন
- 📌 গত আগস্টে চারা রোপণ করে, প্রায় দেড় মাস পর ফল আসতে শুরু করে
- 📌 স্থানীয় কৃষকরা হাসানুরের উদ্যোগকে প্রশংসা করছেন, কৃষি অফিসের সহযোগিতা চাইছেন
📰 বিস্তারিত
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ভাবনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হাসানুর রহমান শখের বশে তরমুজ চাষ শুরু করেছেন। তিনি মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে 'ব্ল্যাকবেরি' ও 'ইয়েলো মেলন' জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। বিশেষ করে হলুদ রঙের 'ইয়েলো মেলন' ফলগুলো দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। মাচায় ঝুলে থাকা ফলগুলো পথচারীদের আকর্ষণ করে চলেছে।
হাসানুর জানান, তিনি মাগুরা জেলা শহর থেকে ২০ গ্রাম বীজ কিনতে ১ হাজার ৩০০ টাকা খরচ করেছেন। নিজেই বীজ থেকে চারা তৈরি করে গত আগস্টে জমিতে চারা রোপণ করেছেন। প্রায় দেড় মাস পর ফল আসতে শুরু করে। তিনি প্রচলিত পদ্ধতির বদলে মাচায় তরমুজ চাষ করেছেন। বাঁশের খুঁটি ও নাইলনের নেট দিয়ে তৈরি মাচায় ছড়িয়ে পড়েছে গাছের লতা। লতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে হলুদ ও সবুজ রঙের তরমুজ।
স্থানীয় কৃষক বাবলু বলেন, ‘আমাদের এলাকায় সাধারণত এভাবে তরমুজ চাষ করতে দেখা যায় না। হাসানুরের উদ্যোগ আমাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। তাঁর ক্ষেতের হলুদ ও সবুজ রঙের তরমুজ দেখতে খুবই সুন্দর। কৃষি অফিসের সহযোগিতা পেলে আমরাও এ ধরনের ফসল চাষে আগ্রহী হব।’ আরেক কৃষক জমির বলেন, ‘হাসানুরের তরমুজ চাষ আমাদের এলাকার জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। অল্প জমিতে নতুন জাতের তরমুজ চাষ করা যায়, তা তাঁর ক্ষেত না দেখলে বুঝতে পারতাম না। ভালো ফলন ও ন্যায্য দাম পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে এলাকার আরও কৃষক এ চাষে আগ্রহী হবেন।’
"নিতান্তই শখের বশে তরমুজ চাষ করেছি। মাচায় ঝুলে থাকা তরমুজ দেখতে খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে হলুদ রঙের তরমুজ সহজেই মানুষের নজর কাড়ে।"
মহম্মদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইশরাত জাহান শিলু বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকেরা সাধারণত তরমুজ চাষ করেন না। তবে হাসানুর রহমানের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাঁকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর সাফল্য দেখে ভবিষ্যতে এলাকার অন্য কৃষকেরাও তরমুজ চাষে আগ্রহী হতে পারেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহম্মদপুর উপজেলা, মাগুরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. হাসানুর রহমান, বাবলু, জমির, ইশরাত জাহান শিলু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ গ্রাম বীজ, ১ হাজার ৩০০ টাকা, পাঁচ শতাংশ জমি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!