📌 বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে কোস্ট গার্ডের জাহাজের অকস্মাত ধাক্কায় গমবোঝাই কার্গোর তলা ফেটে গেছে। এতে পাঁচটি স্পিডবোট ডুবে গিয়েছে এবং প্রায় ৩০ শতাংশ গম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজের অকস্মাত ধাক্কায় গমবোঝাই কার্গোর তলা ফেটে গেছে। এ দুর্ঘটনায় পাঁচটি স্পিডবোট ডুবে গিয়েছে এবং ৩০০ টন গম নিয়ে আসা কার্গোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটে এবং প্রায় ৩০ শতাংশ গম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০০ টন গমবোঝাই কার্গো কোস্ট গার্ডের জাহাজের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত; তলা ফেটে গেছে
- 📌 পাঁচটি স্পিডবোট ডুবে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 ৩০ শতাংশ গম নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে, ৭০ শতাংশ সুরক্ষিত
- 📌 তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন এবং বিভাগীয় কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন
- 📌 খুলনা সাইলো থেকে আসা কার্গো বরিশাল খাদ্য বিভাগের জেটিতে গম খালাসের অপেক্ষায় ছিল
📰 বিস্তারিত
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর ডিসি ঘাট-সংলগ্ন খাদ্যগুদামের পন্টুন এলাকায় ঘটে এই দুর্ঘটনা। কার্গোর ইনচার্জ মানিক হোসেন জানান, কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডি বি পাপিয়া নামের গমবোঝাই কার্গোটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কার্গোর তলা ফেটে যায়। আশপাশের স্পিডবোট মালিক সমিতির নেতারা বলেন, এতে পাঁচটি স্পিডবোট ডুবে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্ঘটনার সময় কার্গোটি ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। স্থানীয় লোকজন প্রথমে উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড ও পুলিশ উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়। বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর তাঁদের দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে জাহাজটি সম্পূর্ণ ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছে। বর্তমানে কার্গোটি নিরাপদে রয়েছে।
বরিশাল খাদ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমদাদুল হক জানান, দুর্ঘটনায় প্রায় ৭০ শতাংশ গম সুরক্ষিত রয়েছে। অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ গম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। খবর পেয়ে বিভাগীয় কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
"কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডি বি পাপিয়া নামের গমবোঝাই কার্গোটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কার্গোর তলা ফেটে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কীর্তনখোলা নদী, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক হোসেন (কার্গো ইনচার্জ), রবিউল ইসলাম (ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা), ইমদাদুল হক (বরিশাল খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা), মামুন খন্দকার (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ টন গম, ৩০ শতাংশ নষ্টের আশঙ্কা, ৭০ শতাংশ সুরক্ষিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!