📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভোলার হাসপাতালে আইসিইউ-সিসিইউ চালু না হলে যুবকের তৃতীয় দিন অবস্থান: '২০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে'

ভোলার হাসপাতালে আইসিইউ-সিসিইউ চালু না হলে যুবকের তৃতীয় দিন অবস্থান: '২০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে'

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ ও সিসিইউ চালু না হলে সদর উপজেলার যুবক নয়ন খান তৃতীয় দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। তিনি দাবি করেন, বাবার মৃত্যুতে সচেতন হাসপাতালের এই সুবিধা না থাকায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে

ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ ও করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) চালুর দাবিতে সদর উপজেলার যুবক নয়ন খান তৃতীয় দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রায় ২০ লাখ মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত এই সেবা চালু করতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সদর উপজেলার যুবক **নয়ন খান** তৃতীয় দিন অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ভোলার জেনারেল হাসপাতালের সামনে
  • 📌 **৩০ অক্টোবর** বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান করেছেন তিনি
  • 📌 **গত সোমবার** রাত সাড়ে ১২টায় অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও **আইসিইউ-সিসিইউ না থাকায়** বাবা মারা যান
  • 📌 **২০২১ সালের ২৯ জুলাই** হাসপাতালে **৬ শয্যার আইসিইউ** স্থাপন করা হলেও **জনবল ও চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে** এখনো চালু হয়নি
  • 📌 **৬০ জন চিকিৎসকের পদ** থাকলেও গড়ে **২০ জনেরও কম** চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন

📰 বিস্তারিত

নয়ন খান জানান, তাঁর পরিবারের মতো পরিস্থিতি যেন অন্য কোনো রোগীর স্বজনদের মোকাবিলা করতে না হয়, সে জন্যই তিনি এই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাবার মৃত্যুতে সচেতন হাসপাতালের এই সুবিধা না থাকায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে।’

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির ভোলা জেলা শাখার সভাপতি **মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী** বলেন, ভোলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা থাকলেও জনবল সংকটে তা চালু হচ্ছে না। তিনি আরও দাবি করেন, হাসপাতালে **৬০ জন চিকিৎসকের পদ** থাকলেও গড়ে **২০ জনেরও কম** চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন। কখনো কখনো এই সংখ্যা **১০ জনে নেমে আসে।'

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক **ডা. তৈয়বুর রহমান** জানান, ‘ছয় শয্যার আইসিইউ ইউনিট স্থাপন করা হলেও পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে এটি চালু করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, তবে এখনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

"আমার বাবার মৃত্যুতে সচেতন হাসপাতালের এই সুবিধা না থাকায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোলা সদর, জেনারেল হাসপাতাল (২৫০ শয্যাবিশিষ্ট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: **নয়ন খান** (সদর উপজেলা বাসিন্দা), **মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী** (সুজন ও বি.সি.পি. ভোলা জেলা সভাপতি), **ডা. তৈয়বুর রহমান** (হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: **২০ লাখ** মানুষের চিকিৎসাসেবা, **৬ শয্যা** আইসিইউ, **৬০ জন** চিকিৎসকের পদ, **২০ জনেরও কম** বর্তমান চিকিৎসক, **১০ জন** (কখনো কখনো চিকিৎসকের সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖