📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৌলভীবাজারের সংরক্ষিত বন উজাড়ের মূল কারণ অবৈধ করাতকল, অভিযান যথেষ্ট নয় পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ

মৌলভীবাজারের সংরক্ষিত বন উজাড়ের মূল কারণ অবৈধ করাতকল, অভিযান যথেষ্ট নয় পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মৌলভীবাজারের ৫৩ হাজার ১০৯ একর সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ করাতকল স্থাপনের ফলে নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে। বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে জেলায় ১৯৩টি করাতকল থাকলেও অভিযান যথেষ্ট নয় বলে পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ। বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে অবৈধ কার্যক্রমে সহায়তার

মৌলভীবাজার জেলার ৫৩ হাজার ১০৯ একর সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও পাহাড়ঘেরা এলাকায় অবৈধ করাতকল স্থাপনের ফলে নির্বিচারে গাছ কাটা অব্যাহত রয়েছে। বৈধ করাতকল ছাড়াও গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ প্রতিষ্ঠান, যেখানে দিনরাত চোরাই পথে সংগ্রহ করা গাছ চেরাই করা হচ্ছে। পরিবেশকর্মী ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অবহেলার কারণে এ প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৌলভীবাজারের ৫৩ হাজার ১০৯ একর সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ করাতকল স্থাপন ও গাছ কাটা চলছে
  • 📌 জেলায় মোট ১৯৩টি করাতকল থাকলেও বৈধ লাইসেন্স রয়েছে মাত্র ১৪২টির
  • 📌 অবৈধ ১৩টি ও আদালতের রিটে আটকে থাকা করাতকল রয়েছে আরও ৪০টি
  • 📌 পরিবেশকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে করাতকল মালিকদের আঁতাত রয়েছে
  • 📌 লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ সংরক্ষিত বনের মূল্যবান গাছ প্রতিদিন চুরি হচ্ছে ও করাতকলেই বিক্রি করা হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, রাজনগর, কুলাউড়া, বড়লেখা ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অসংখ্য বৈধ ও অবৈধ করাতকল গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত বন ও সড়কের পাশ থেকে চুরি করা গাছ চেরাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে অনেক করাতকলেই অবৈধ গাছ চেরাই করা হয়। ফলে বৈধ-অবৈধ গাছের পার্থক্য করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাঈদুল ইসলাম স্বীকার করেছেন, জনবলের অভাবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও লাইসেন্স প্রদান করে বন বিভাগ। সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান বলেন, অবৈধ করাতকল বন্ধে অভিযান চালানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে মালিকেরা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঁতাত করে আইন এড়িয়ে যাচ্ছেন।

পরিবেশকর্মী নাজমুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, অবৈধ করাতকল পরিচালনার জন্য বন বিভাগের কর্মীরা নিয়মিত টাকা আদায় করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিনিয়ত গাছ চুরি হচ্ছে, কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন।’

‘জেলায় অসংখ্য অবৈধ করাতকল রয়েছে। এসব করাতকল থেকে বন বিভাগের লোকেরা নিয়মিত টাকার ভাগ নেন। এ জন্য কিছু বলেন না।’ — পরিবেশকর্মী নাজমুল ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৌলভীবাজার জেলা, সিলেট বিভাগ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মো. মাঈদুল ইসলাম (পরিবেশ অধিদপ্তর), মো. আবদুর রহমান (বন কর্মকর্তা), নাজমুল ইসলাম (পরিবেশকর্মী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩ হাজার ১০৯ একর (সংরক্ষিত বন), ১৯৩টি (মোট করাতকল), ১৪২টি (বৈধ লাইসেন্স), ১৩টি (অবৈধ), ৪০টি (আদালতের রিটে আটকে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖