📌 ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করে পুনরায় নদীতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত ২০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ‘ফ্ল্যাশিং আউট’ প্রক্রিয়ায় সেই বালু পুনরায় নদীতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযানটি পরিচালিত হয় গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে বুধবার ভোর ৫টা পর্যন্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযানে জব্দ করা হয়েছে অবৈধভাবে উত্তোলিত ২০ হাজার ঘনফুট বালু
- 📌 অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা
- 📌 অভিযানে অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ, ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দে, পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা
- 📌 অভিযানে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদিও বিনষ্ট করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু পুনরায় নদীতে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রশাসন একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু ও ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় সেই বালু পুনরায় নদীতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, হালদা নদী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হালদার পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ইউএনও সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘মিথ্যা ও ভুয়া’ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এর আগে ১৯ আগস্ট তিনি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি বরাদ্দের ৩৫টি গাছ ও পাঁচ বস্তা সারের হিসাব গ্রামপ্রধানের কাছে তুলে দেন।
‘হালদা নদী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তলদেশ ও তীরের স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ে। হালদার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা, হালদা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার ঘনফুট বালু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!