📌 যুক্তরাষ্ট্রে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধ ও শুল্ক আরোপের প্রভাবেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
যুক্তরাষ্ট্রে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বাণিজ্য বিভাগের অধীনস্থ অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ ব্যুরো। এর ফলে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ফেডারেল রিজার্ভের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি
- 📌 ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় সূচক (পিসিই) পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য বেশি ছিল, যা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করেছে
- 📌 জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির মাসিক হার ছিল ০ দশমিক ২ শতাংশ, যা পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় বেশি
- 📌 যুদ্ধ ও শুল্ক আরোপের কারণে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বাণিজ্য বিভাগের অধীনস্থ অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ ব্যুরো। এর ফলে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে। ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় সূচক (পিসিই) পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য বেশি ছিল, যা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করেছে।
জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির মাসিক হার ছিল ০ দশমিক ২ শতাংশ, যা পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় বেশি। বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে মাসিক হার হবে ০ দশমিক ১ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির অন্তর্নিহিত হার পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত মূল পিসিই সূচক বছরে ৩ দশমিক ৩ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে হামলার পর থেকে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তখন মূল্যস্ফীতির হার ছিল ২ দশমিক ৯ শতাংশ। মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছেছিল। যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।
"এই তথ্য সুদের হার বৃদ্ধির পক্ষে সমর্থন যোগায়।"
যদিও ছয় মাস পর যুদ্ধের তীব্রতা কমেছে এবং তেলের দাম কিছুটা কমেছে, তবে ভোক্তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে হতাশা রয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতির কারণে আয় কমে যাওয়ায় ভোক্তাদের মনোভাব নেতিবাচক রয়ে গেছে। জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকৃত আয় বছরে মাত্র ০ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া গত কয়েক মাস ধরে আয় কমছিল।
গত রাতে জাতীয় গড় হিসাবে পেট্রোলের দাম প্রতি গ্যালন (৩ দশমিক ৮ লিটার) ৪ দশমিক ১০ ডলারে উঠেছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে দুই দেশই পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে, যা আগামী মাসগুলোতে কার্যকর হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ওমাইর শরীফ (ইনফ্লেশন ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দশমিক ৭ শতাংশ (মূল্যস্ফীতির হার), ২ শতাংশ (ফেডারেল রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!