📌 নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান আসামি পলাতক থাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় বিএনপি নেতার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া (৫০) পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়া (৩৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেন্দুয়া উপজেলায় বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ স্কুলছাত্রীর বিরুদ্ধে
- 📌 ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং অন্তঃসত্ত্বা
- 📌 ঘটনার প্রধান আসামি বকুল মিয়া পলাতক, দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার
- 📌 ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণের অভিযোগ
- 📌 ভুক্তভোগীর বাবা মামলা দায়ের করলে রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় বিএনপি নেতা বকুল মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত বকুল মিয়া পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়া (৩৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগীর বাবা বকুল মিয়াসহ পাঁচজনকে আসামি করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিলে বকুলের সহযোগী এক নারী তাকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করালে জানা যায়, সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
"ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বকুল ও আবু তাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেতেন এবং অন্যদের দিয়েও ধর্ষণ করাতেন। এ ঘটনায় সে কঠিন বিচার দাবি করেছে।"
কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, বিষয়টি তারা জেনেছেন এবং বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আবু মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দুয়া, নেত্রকোণা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বকুল মিয়া, আবু মিয়া, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০, ৩৬, ২০ নভেম্বর ২০২২, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৮ আগস্ট ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!