📌 সার সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, ডিলারদের কমিশন বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সার সরবরাহ ব্যবস্থায় কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, দেশে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় বগুড়ায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সার গোডাউন এবং বিসিআইসির বাফার গোডাউন পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সার সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে
- 📌 ডিলারদের কমিশন বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছে
- 📌 অনিয়মকারী ডিলারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা
- 📌 আগাম সার ক্রয়ে কৃষকদের বিরত থাকার আহ্বান
📰 বিস্তারিত
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও কিছু অসাধু মহল কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি স্পষ্ট জানান, বগুড়াসহ সারা দেশে চাহিদার চেয়ে প্রায় দেড় গুণ বেশি ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সারের মজুত রয়েছে। তবে আলু চাষিরা আগাম সার কিনে বাড়িতে মজুত করায় বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি ইতোমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটিতে সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং তিনি নিজে রয়েছেন। কমিটি ইতোমধ্যেই একাধিক বৈঠক করে মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডিলার পরিবর্তন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক গুজবের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে একটি গুজব ছড়িয়েছিল যে পুরানো ডিলারদের সরিয়ে নতুন ডিলার নিয়োগ করা হচ্ছে। ফলে ডিলারদের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী ইতোমধ্যেই পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বিসিআইসি ও বিএডিসির বর্তমান মূল এবং খুচরা ডিলাররাই কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
"যেসব ডিলার সারের ডিও করে উত্তোলন করেননি বা উত্তোলন করে গোডাউনে আটকে রেখে খুচরা বাজারে বিক্রি করছেন না, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
প্রতিমন্ত্রী কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের সার এখনই কিনতে শুরু করলে বাজারে একটা কৃত্রিম চাপ তৈরি হয় এবং সারের দামও বাড়ে। তিনি আশ্বাস দেন, প্রতি জেলায় সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যেই পরবর্তী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের চাহিদামাফিক সার পৌঁছে দেয়া হবে।
ডিলারদের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০০৮-০৯ সালের পর কমিশন আর বাড়েনি। পরিবহন ও অন্যান্য খরচ বাড়ায় কৃষি মন্ত্রণালয় কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে, যা প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সম্মতি পেয়েছে। অর্থ বিভাগের সাথে আলোচনা করে দ্রুতই ডিলারদের কমিশন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া, বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম, ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আসাদুল হাবিব দুলু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ আগস্ট, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮-০৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!