📌 সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কের অর্ধেকের বেশি গাছ কেটে নিয়েছে বন বিভাগ, জেলা প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে। পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকার গাছ নামমাত্র দামে বিক্রি করছে বন বিভাগ
পরিবেশকর্মী ও স্থানীয়দের প্রতিবাদ সত্ত্বেও সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। তবে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে গত ১৫ দিনে সড়কটির অর্ধেকের বেশি গাছ কেটে নিয়েছে বন বিভাগ। জেলা প্রশাসনের দাবি, তাদের না জানিয়েই গাছ কাটা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলা প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে বন বিভাগ সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কের অর্ধেকের বেশি গাছ কেটেছে
- 📌 গত ১৫ দিনে নির্বিচারে গাছ কাটা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবেশকর্মীদের
- 📌 সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে মোট গাছের সংখ্যা ৪ হাজার ৪০০টি
- 📌 গাছ বিক্রির মোট মূল্য ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে বন বিভাগ
- 📌 গাছ বিক্রির টাকা উপকারভোগীদের মধ্যে বণ্টনের বিধান রয়েছে সামাজিক বনায়ন বিধিমালায়
📰 বিস্তারিত
পরিবেশকর্মী এবং স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। তবে সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে গত ১৫ দিনে সড়কটির অর্ধেকের বেশি গাছ কেটে নিয়েছে বন বিভাগ। জেলা প্রশাসনের দাবি, তাদের না জানিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকার গাছ নামমাত্র দামে বিক্রি করে ফায়দা লুটছে বন বিভাগ। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ-সাচনা বাজার সড়কে গাছ আছে ৪ হাজার ৪০০টি। সদর উপজেলার অংশ ২৮ লাখ ৩৬ হাজার এবং জামালগঞ্জ অংশের গাছগুলো ৫৬ লাখ ৪৪ হাজারসহ মোট ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই মোতাবেক প্রতিটি গাছের গড় মূল্য ১ হাজার ৯২৭ টাকা ২৭ পয়সা।
বন বিভাগের তালিকাভুক্ত টাঙ্গাইলের ২টি, সিলেটের ১টি, দোয়ারাবাজারের ১টিসহ মোট ৪টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে গাছ কাটার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী, গাছ বিক্রির টাকা উপকারভোগী ৫৫, বন অধিদপ্তর ১০, ভূমির মালিক হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) ২০, ইউনিয়ন পরিষদ ৫ শতাংশ পাবে। বাকি টাকা দিয়ে আবার বনায়ন করা হবে।
"পরিবেশকর্মীদের ভাষ্য, এসব বৃক্ষ নিধনের মাধ্যমে সড়কের সৌন্দর্য ও প্রকৃতির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কের দুই পাশে রেইনট্রি, কড়ই, আকাশি, অর্জুন, মেরাসহ ফলদ, বনজ এবং ঔষধি জাতের অন্তত ১০ প্রজাতির গাছ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়ক, সুনামগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় জনগণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ৪০০টি গাছ, ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!