📌 প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতি ইউনিয়নে ‘হেলথ হাব’ এবং প্রতি তিন ওয়ার্ডে ‘ওয়েলবিং সেন্টার’ স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ‘হেলথ হাব’ এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি ‘হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার’ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনকালে রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতি ইউনিয়নে স্থাপিত হবে একটি করে ‘হেলথ হাব’
- 📌 প্রতি তিনটি ওয়ার্ড মিলে চালু হবে একটি ‘হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার’
- 📌 ‘হেলথ হাব’-এ স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা একই ছাতার নিচে প্রদান করা হবে
- 📌 উপজেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করে ১৫১টিতে উন্নীত করার উদ্যোগ
- 📌 জেলা ও ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার হাসপাতালে যথাক্রমে ১০টি ও ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ‘হেলথ হাব’-এর মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা, স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রাথমিক শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হবে। এসব কেন্দ্রে চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। তিনি আরও জানান, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর শয্যাসংখ্যা ১৫১টিতে উন্নীত করা হবে। একইসঙ্গে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ১০টি ও ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মেডিকেল কলেজগুলোর শিক্ষক-সংকট দূর করতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্ধ থাকা আইসিইউ সেবা পুনরায় চালু করার পাশাপাশি নতুন মেডিকেল কলেজগুলোও চালু করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের জন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সেবার মান বৃদ্ধি পেলেও দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
"স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।"
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, সিভিল সার্জন আল মামুন, জয়পুরহাট ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রাশেদ মোবারক জুয়েলসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (ওয়ার্ড), ১৫১ (শয্যা), ১০ (ডায়ালাইসিস মেশিন), ৫০ (ডায়ালাইসিস মেশিন), ৪০০ (শয্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!