📌 সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিগত সরকারের সময় বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে আট সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংসদ ভবনের অফিস কক্ষ পুনর্বিন্যাস ও প্রশাসনিক যৌক্তিকতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই কমিটিকে
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিগত সরকারের সময় দলীয় বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে সভাপতি করে গঠিত এই কমিটি কর্মীদের তালিকা প্রস্তুত করে তাঁদের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে সুপারিশ করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিগত সরকারের সময় বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে কমিটি গঠন
- 📌 কমিটির সভাপতি: এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, সদস্য সংখ্যা: ৮ জন
- 📌 কমিটির দায়িত্ব: অফিস কক্ষ পুনর্বিন্যাস, প্রশাসনিক যৌক্তিকতা যাচাই ও কর্মীদের তালিকা প্রস্তুত
- 📌 কমিটির সদস্যরা: সরকারদলীয় ও বিরোধীদলীয় হুইপসহ জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান
- 📌 কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অধিবেশনের সময়ের মধ্যেই
📰 বিস্তারিত
সংসদ সচিবালয়ের গঠিত কমিটি বিগত সরকারের সময় দলীয় কর্মকাণ্ডে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা প্রস্তুত করবে। জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে সভাপতি করে গঠিত এই কমিটি সংসদ ভবনের অফিস কক্ষ পুনর্বিন্যাস ও প্রশাসনিক যৌক্তিকতা যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করবে।
কমিটির সদস্যরা হলেন সরকারদলীয় হুইপ মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম এবং জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান।
কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন নিজান জানান, বিগত সরকারের সময় অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী বাড়াবাড়ি করেছেন। তাঁদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন যাতে অন্তর্ঘাতমূলক কাজের আশঙ্কা দূর করা যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে আঘাত বা বের করে দিতে চাই না। গণতান্ত্রিক ধারায় প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে মানসিক শপথ অনুযায়ী তাঁরা কাজ করুন।’
‘আমাদের সংসদে অনেক জায়গা আছে। কোনো দপ্তরের কাছে ৫০০ বর্গফুট, কারও কাছে ৫০ হাজার বা ১ লাখ বর্গফুট আছে। আবার দেখা যাচ্ছে, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা দুজন এক রুমে কাজ করছেন। সাংসদীয় কমিটিও ঠিকভাবে সন্নিবেশিত করা হয়নি। তাই পুরো ভবন ঘুরে দেখে কোথায় কার কতটুকু জায়গা প্রয়োজন, কোন বিভাগে বেশি বা কম জায়গা দরকার এবং কোনটা কোন তলায় নেওয়া উচিত—তা বিচার-বিবেচনা করে রিপোর্টের মাধ্যমে পুনর্বিন্যাস করা হবে।’
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, লুই কানের নকশায় ভবনের কক্ষের সংখ্যা থাকার কথা চার শ হলেও বর্তমানে আছে পাঁচ শতাধিক। সংসদ ভবনের বড় কক্ষগুলোতে কাঠের বিভাজন দিয়ে অসংখ্য ছোট কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। কোনো কোনো শাখা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রুম বরাদ্দ নিয়েছে, আবার কোনো কোনো শাখার জন্য প্রয়োজনীয় রুম বরাদ্দ দেওয়া যায়নি।
কমিটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন বিভাগকে সার্ভে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির সুপারিশ প্রতিবেদন তৈরিতে কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (সভাপতি), রফিকুল ইসলাম খান (সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ (কমিটির সদস্য সংখ্যা), ৫০০ (বর্গফুট), ৫০ হাজার (বর্গফুট), ১ লাখ (বর্গফুট), ২৭ আগস্ট (প্রথম বৈঠকের সম্ভাব্য তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!