📌 পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, অর্থায়ন সংকটে নতুন সরকারি প্রকল্প বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আগের প্রকল্পগুলোর মধ্যে যেগুলোর কাজ ৫০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে সেগুলো চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, অর্থায়নের মারাত্মক সংকটের কারণে পরিবেশ সংক্রান্ত নতুন সরকারি প্রকল্পগুলো স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে আগের প্রকল্পগুলোর মধ্যে যেগুলোর কাজ ৫০ শতাংশের বেশি এগিয়েছে সেগুলো চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর যেসব প্রকল্পের অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম ছিল সেগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থায়ন সংকটে নতুন সরকারি পরিবেশ প্রকল্প স্থগিত
- 📌 আগের প্রকল্পগুলোর মধ্যে যেগুলোর কাজ ৫০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে সেগুলো চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে
- 📌 যেসব প্রকল্পের অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম ছিল সেগুলো বন্ধ
- 📌 প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের ফান্ডিং ও সক্ষমতার মারাত্মক সংকট রয়েছে
- 📌 চলতি বছর ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৫ লাখের বেশি গাছ লাগানো হয়েছে
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও দৃষ্টিদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাত ১২টার পর বিলবোর্ড বন্ধের প্রস্তাব
📰 বিস্তারিত
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) আয়োজনে ‘বায়ু-শব্দ-দৃষ্টি-পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ: প্রতিকার কত দূর?’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার চায় সবার সহযোগিতায় কাজ করতে। কারণ সরকারের ফান্ডিং ও সক্ষমতার ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যা রয়েছে। আগে বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প ছিল, কিন্তু এখন নতুন করে কোনো প্রকল্প সরকারি অর্থায়নে শুরু হচ্ছে না।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যেসব প্রকল্পের কাজ ৩০ শতাংশের কম ছিল সেগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর যেগুলোর কাজ ৫০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে সেগুলো চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পরিবেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছর ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৫ লাখের বেশি গাছ লাগানো হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত সমাধানের জন্য নিয়মিত ব্র্যান্ডিং করতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিদিনের অভিযানগুলোর ছবি ও তালিকা তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ নিয়ে আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে গাছ কাটা, পাহাড় কাটা, নদীদূষণ, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ এমনকি দৃষ্টিদূষণ নিয়েও নির্দেশনা দিয়েছেন।
বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও দৃষ্টিদূষণ কমাতে রাত ১২টার পর বিলবোর্ড বন্ধ করার প্রস্তাব দেন তিনি। এর ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দৃষ্টিদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং প্রাণ-প্রকৃতিও কিছু সময় নীরবতা পাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পলিথিনের বিকল্প নিয়ে কাজ চলছে। ফলের দোকান, গ্রোসারি, মুদি দোকান ও কাঁচাবাজারে বিকল্প ব্যবস্থা করা সম্ভব। তবে মাছের বাজার বা যেখানে রক্ত ঝরে সেখানে স্বল্প পরিমাণে পচনশীল পলিথিন ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি বলেন, অন্তত যেন সলিড পলিথিন থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি।
‘সরকার চাচ্ছে সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করার জন্য। কারণ আমাদের ফান্ডিংয়ের সমস্যা আছে। আমাদের সক্ষমতার ক্ষেত্রেও মারাত্মক সমস্যা।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ, ২৫ কোটি, ৩ কোটি ৫ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!