📌 ওষুধের দাম সর্বনিম্ন রাখার পাশাপাশি মানসম্মত উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে ভারসাম্যপূর্ণ মূল্য নির্ধারণ জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীতে আয়োজিত এক সংলাপে তারা বিজ্ঞানভিত্তিক তালিকা, স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ ও নিয়মিত পর্যালোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন
রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞরা ওষুধের দাম সর্বনিম্ন রাখার পাশাপাশি মানসম্মত উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে ভারসাম্যপূর্ণ মূল্য নির্ধারণের ওপর জোর দিয়েছেন। ‘রোগীর নাগালে ওষুধ, উৎপাদকের টেকসইতা: ভারসাম্যপূর্ণ ওষুধনীতির সন্ধানে’ শীর্ষক সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা ওষুধনীতি পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ওষুধের দাম সর্বনিম্ন রাখা ও মানসম্মত উৎপাদন টেকসই রাখা দুটি পরস্পরবিরোধী বিষয় নয় বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা
- 📌 বাংলাদেশে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ১৯৯৪ সাল থেকে ১১৭টি ওষুধে সীমাবদ্ধ রয়েছে
- 📌 ২০২২ সালের পর থেকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি
- 📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের তালিকায় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫২৩টি ও শিশুদের জন্য ৩৭৪টি প্রয়োজনীয় ওষুধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
- 📌 গত এক দিনে ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু এবং ৯০৭ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাবলিক ইন্টিগ্রিটি নেটওয়ার্ক ফর এভিডেন্স অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সি (পাইনেট) আয়োজিত সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশের আহ্বায়ক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘রোগীর জন্য ওষুধ সাশ্রয়ী রাখা এবং ওষুধ শিল্পের টেকসইতা নিশ্চিত করা পরস্পরবিরোধী নয়। এমন মূল্য নির্ধারণ করতে হবে, যা রোগী বহন করতে পারেন এবং উৎপাদকও মানসম্মত ওষুধ উৎপাদন করতে পারেন।’
সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা বিজ্ঞানভিত্তিক অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা তৈরি, স্বচ্ছ ও পূর্বানুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ, নিয়মিত মূল্য পর্যালোচনা এবং রোগীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯৪ সাল থেকে তালিকাভুক্ত ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ব্যয়ভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। নিয়মিত মূল্য সমন্বয় না হওয়া এবং ২০২২ সালের পর এসব ওষুধের মূল্য পুনর্নির্ধারণ না করায় উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মামুনুর রহমান মালিক বলেন, ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদের পাশাপাশি ওষুধের প্রাপ্যতা, ক্রয়ক্ষমতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের তালিকায় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫২৩টি এবং শিশুদের জন্য প্রায় ৩৭৪টি প্রয়োজনীয় ওষুধ রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, ডা. মামুনুর রহমান মালিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ১১৭টি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকা ৫২৩টি ও ৩৭৪টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!