📌 জাতীয় স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের অপরিহার্য ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন পদ সৃষ্টি, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রয় নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান ফার্মাসিস্ট নেতারা
ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের স্বাস্থ্যসেবায় অপরিহার্য ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানসম্মত ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ধাপে ফার্মাসিস্টরা ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের স্বাস্থ্যসেবায় অপরিহার্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গ্রামীণ হাসপাতালগুলোতে ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের নতুন পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ বৃদ্ধির দাবি উঠেছে
- 📌 ফার্মাসিস্ট নেতারা সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ফার্মেসি ব্যবস্থাপনা চালুর দাবি জানান
- 📌 অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়া ব্যথানাশক বিক্রয় বন্ধের দাবি জানানো হয়
- 📌 ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন ও নিয়মিত পদোন্নতির দাবি তুলে ধরা হয়
📰 বিস্তারিত
জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, চিকিৎসক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার দিকনির্দেশনা দেন, আর ফার্মাসিস্টরা সঠিক ওষুধ প্রয়োগ ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গ্রামীণ হাসপাতালগুলোতে ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের পদ সৃষ্টি ও নিয়মিত নিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আতিকুর রহমান রুমন আরও বলেন, বর্তমান সরকার পেশাগত বৈষম্য দূর করতে সংবেদনশীল। ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের পদোন্নতি, বেতন বৈষম্য নিরসন ও অনুকূল কর্মপরিবেশ তৈরিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আলোচনা সভায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট প্রতিনিধি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাদের কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
সভায় ফার্মাসিস্ট নেতারা কয়েক দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ফার্মেসি ব্যবস্থাপনা চালু করা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নতুন পদ সৃষ্টি ও দ্রুত নিয়োগ দেওয়া, ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন এবং চাকরির নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে ধারাবাহিক পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ন। এ ছাড়া প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ এবং নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টদের মাধ্যমে ফার্মেসির কাউন্টার সেবা পরিচালনা বাধ্যতামূলক করার দাবিও জানান তারা।
"চিকিৎসক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার দিকনির্দেশনা দেন, আর সঠিক ওষুধ প্রয়োগ ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার কারিগরি দায়িত্ব পালন করেন ফার্মাসিস্টরা। বিশেষ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গ্রামীণ হাসপাতালগুলোতে ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের পদ সৃষ্টি ও নিয়মিত নিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। তা না হলে সাধারণ মানুষ মানসম্মত ফার্মাসিউটিক্যাল সেবা থেকে বঞ্চিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় প্রেস ক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতিকুর রহমান রুমন (প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ আগস্ট ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!