📌 বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংক খাতে বড় অঙ্কের ঋণের অনিয়ম রোধে নতুন নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে। পঞ্চাশ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে বহিঃনিরীক্ষকের মাধ্যমে অডিট বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এতে ঋণের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহৃত হয়েছে কি না তা যাচাই করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের ঋণের অনিয়ম ও জালিয়াতি প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আগামী দিনগুলোতে পঞ্চাশ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ বিতরণের পর সেই অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অডিট করানোর নিয়ম চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এই অডিট প্রতিবেদন জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক পঞ্চাশ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে বহিঃনিরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে
- 📌 অডিট প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে
- 📌 বহিঃনিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে ঋণের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহৃত হয়েছে কি না
- 📌 অনিয়ম ধরা পড়লে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বেনামি ও ভুয়া ঋণ
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক খাতে বড় অঙ্কের ঋণের অনিয়ম ও জালিয়াতি প্রতিরোধে নতুন এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পঞ্চাশ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ বিতরণের পর সেই অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে বহিঃনিরীক্ষকের মাধ্যমে অডিট করানোর নিয়ম চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এই অডিট প্রতিবেদন জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ঋণের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, এক খাতের নামে ঋণ নিয়ে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না কিংবা ভুয়া ও বেনামি ঋণের মাধ্যমে অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা হবে। ব্যাংকিং খাতে এটি ‘অ্যান্ড ইউজ মনিটরিং’ হিসেবে পরিচিত। শিগগিরই এ বিষয়ে নীতিমালা জারি করে ব্যাংকগুলোকে তা পরিপালনের নির্দেশ দেওয়া হবে। বহিঃনিরীক্ষকের প্রতিবেদনে অনিয়ম ধরা পড়লে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশে খেলাপি ঋণ বাড়ার অন্যতম কারণ বেনামি ও ভুয়া ঋণ। অনেক ক্ষেত্রে জামানতের সম্পদের মূল্য অতিরিক্ত দেখিয়ে ঋণ নেওয়া হয়েছে। আবার ব্যবসার নামে ঋণ নিয়ে তা জমি কেনা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কিংবা বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে। ব্যাংকের কিছু পরিচালক ও কর্মকর্তার যোগসাজশে এসব অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
"তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ঋণের ব্যবহার যাচাই করা হলে এসব ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। একইসঙ্গে ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতা, দুপক্ষের জবাবদিহিও বাড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পঞ্চাশ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!