📌 খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৫টি বেড থাকলেও ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত মশক নিধনে ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে
খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত মাত্র ৫টি বেডের বিপরীতে ১১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মশক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত বেড রয়েছে মাত্র ৫টি
- 📌 মঙ্গলবার পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন
- 📌 পৌরসভা সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে মশক দমন কার্যক্রমে কোনো সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত ৫টি বেডের বিপরীতে ১১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, মশক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না জানান, হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
পৌরসভা সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে মশক দমন কার্যক্রমে কোনো সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে, পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে আগামী সপ্তাহ থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
"হাসপাতালে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসা নিয়ে ফিরেও যাচ্ছেন প্রতিদিন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার পাইকগাছা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আহসানারা বিনতে আহমেদ, ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি বেড, ১১ জন রোগী, ৫০ শয্যা, প্রতিদিন ১০-১২ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!