📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদায় হজের আদর্শে সাম্য ও ন্যায়ের সমাজ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বিদায় হজের আদর্শে সাম্য ও ন্যায়ের সমাজ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদায় হজের ভাষণের মহান শিক্ষা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মানবজাতির জন্য এর প্রাসঙ্গিকতা আজও অটুট। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন

ঢাকা, ২৫ আগস্ট ২০২৬: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণে বর্ণিত মানবমর্যাদা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি মঙ্গলবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আয়োজিত ঈদে-মিলাদুন্নবী (সা.)-১৪৪৮ হিজরি উদ্যাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদায় হজের ভাষণে বর্ণিত মানবমর্যাদা ও সাম্যের শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি
  • 📌 রাষ্ট্রপতি বলেন, হিংসা ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই
  • 📌 বাংলাদেশে ধর্মপ্রাণ মানুষের স্বাধীন ধর্মচর্চা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন
  • 📌 রাষ্ট্রপতি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন
  • 📌 তিনি আলেম-ওলামাদের তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান

📰 বিস্তারিত

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আয়োজিত ঈদে-মিলাদুন্নবী (সা.)-১৪৪৮ হিজরি উদ্যাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিদায় হজের ভাষণের মহান শিক্ষা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণে মানবমর্যাদা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক অধিকারের যে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল, তা আজকের বিশ্বের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

বর্তমান বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যের বিস্তার ঘটছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব থেকে উত্তরণের জন্য মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বিভেদ ও প্রতিহিংসা কোন জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ ও অন্যায় যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সেজন্য ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ বিশ্ব মানবতার জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ। তাঁর চরিত্রে সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, ক্ষমাশীলতা ও মানবিকতার অনন্য সমন্বয় ঘটেছিল। তিনি দরিদ্র, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত মমতাশীল। তিনি মহানবী (সা.)-এর জীবনী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থান নিশ্চিতের লক্ষ্যে মহানবী (সা.) অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে যে সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা জাতীয় জীবনে অনুসরণীয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ মানবজাতির হেদায়েতের জন্য সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে প্রেরণ করেছিলেন, যিনি ছিলেন বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন এবং সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন— এমন সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইসলামী সংস্কৃতি উন্নয়নে অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

বর্তমান সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি জানান, ইতোমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের আগে দেশের সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ দূর করতে আলেম-ওলামাদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে আলেমদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি ঈদে-মিলাদুন্নবী উদ্যাপন অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

"আমি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি এবং সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (আগস্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖