📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের রাজনৈতিক জীবনের বর্ণাঢ্য দিনগুলোর কথা: বিএনপির সঙ্গে ৩৪ বছরের স্মৃতি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম
স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের রাজনৈতিক জীবনের বর্ণাঢ্য দিনগুলোর কথা: বিএনপির সঙ্গে ৩৪ বছরের স্মৃতি

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উত্থান-পতনের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকাকালীন পাঁচবার কারাবরণ এবং ঢাকায় আড়াই মাস আত্মগোপনে ছিলেন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের স্মৃতিচারণও করেছেন তিনি

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছেন। এর মধ্যে ৩৪ বছর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান-পতন ও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। রাজনৈতিক কারণে পাঁচবার কারাবরণ করেছেন। এমনকি ঢাকায় একটি বাসায় আড়াই মাস আত্মগোপনেও ছিলেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রায় ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছেন
  • 📌 বিএনপির সঙ্গে তার যুক্ত থাকার সময়কাল ৩৪ বছর
  • 📌 রাজনৈতিক কারণে তাকে পাঁচবার কারাবরণ করতে হয়েছে
  • 📌 ঢাকায় একটি বাসায় তিনি আড়াই মাস আত্মগোপনে ছিলেন
  • 📌 বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল
  • 📌 মুক্তিযুদ্ধকালে খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেফতার করেছিল

📰 বিস্তারিত

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, তিনি প্রায় চার দশক ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির রাজনীতিতে তার সময়কাল ছিল ৩৪ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি রাজনীতির বিভিন্ন উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়েছেন। তার রাজনৈতিক জীবনে কঠিন সময়ও এসেছে বারবার। রাজনৈতিক কারণে তাকে পাঁচবার কারাগারে যেতে হয়েছে। এমনকি ঢাকার একটি বাসায় তিনি আড়াই মাস পর্যন্ত আত্মগোপনে ছিলেন। এই সময়ে তিনি বাসা থেকে একবারও বের হননি।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে তার আগ্রহ ছিল না। তবে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন ধরনের পুলিশি অপতৎপরতার শিকার হয়েছেন। তাকে বহুবার মামলার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা তার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছ থেকে তিনি সবসময় স্নেহ ও সহচর্য পেয়েছেন। দুঃসময়ে খালেদা জিয়া তাকে অনেক সাহস যুগিয়েছেন। তার প্রতি তিনি সবসময় সদয় ছিলেন। তিনি আরও জানান, ঈদের দিন সন্ধ্যার পর খালেদা জিয়া দুজন অতিথিকে নিয়ে ডিনার করতেন। তিনি নিজেই তাদের খাবার পরিবেশন করতেন এবং গল্প করতেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রেফতারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করেছিল। ঢাকায় তাদের আত্মীয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বলেন, অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতাকে এভাবে খুঁজে গ্রেফতার করা হয়নি। এমনকি যারা নিজেদের বিরাট মুক্তিযোদ্ধা মনে করতেন, তাদেরও সেনাবাহিনী এভাবে খুঁজতে যায়নি।

"জিয়ার মধ্যে তারা কী পেয়েছিল? তারা হয়তো বুঝতে পেরেছিল, তিনি ভবিষ্যতের একজন জননেত্রী হতে পারেন। এই সন্দেহ থেকেই হয়তো তাকে গ্রেফতার করেছিল। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি তার স্বামীকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন, সে কারণেও হয়তো তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।"

মুক্তিযুদ্ধকালে জেড ফোর্স গঠনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় জুলাই মাসে তেলঢালায় ছাত্রদের প্রশিক্ষণ চলছিল। তিনি তখন কমান্ডার জিয়াকে দেখতে যান। সেখানে তিনি দেখেন জিয়া একটি চিঠি লিখছেন। জিজ্ঞেস করলে জিয়া বলেন, তিনি পাকিস্তানের জেনারেল জামশেদকে চিঠি লিখছেন। চিঠিতে লেখা ছিল, 'আমার স্ত্রী তোমাদের হেফাজতে আছে। যদি তার সঙ্গে ভালো আচরণ না করো, একদিন আমি তোমাকে হত্যা করব।' পরের দিন চিঠিটি দেওয়ানগঞ্জের একটি ডাকবাক্সে ফেলে দেওয়া হয়। জেনারেল জামশেদ উত্তরে জানিয়েছিলেন, একজন অফিসারের স্ত্রীকে সম্মান করতে তারা জানেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর, ৩৪ বছর, ৫ বার, আড়াই মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖