📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিমালয়ের ধ্বংসযজ্ঞে মৃত্যু ১ হাজার ২২৫, নিখোঁজ ৪ হাজার ৭৫৭ জন

হিমালয়ের ধ্বংসযজ্ঞে মৃত্যু ১ হাজার ২২৫, নিখোঁজ ৪ হাজার ৭৫৭ জন

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হিমালয়ের নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২২৫ জনের। দুই অঞ্চলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৭৫৭ জন। উদ্ধার অভিযানে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তা চলছে।

হিমালয়ের নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২২৫ জনের। দুই অঞ্চলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৭৫৭ জন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২০৪ জনের
  • 📌 নেপালে নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ২১৬ জন
  • 📌 চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের
  • 📌 চীনের তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪১ জন
  • 📌 দুই অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১৬ লাখ মানুষ
  • 📌 নেপালের নুয়াকোট ও রসুয়া জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
  • 📌 লাংটাং লিরুং অঞ্চলে ধ্বংসপ্রবাহের কারণে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যয়
  • 📌 উদ্ধার অভিযানে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তা

📰 বিস্তারিত

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২০৪ জনের এবং নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ২১৬ জন। অন্যদিকে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গিরং সীমান্তবন্দরে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। সেখানে বুধবার দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪১ জন।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে লাংটাং লিরুং অঞ্চলে হিমবাহ, বরফ ও শিলার বিশাল অংশ ধসে ভয়াবহ ধ্বংসপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। সেই বরফ, পাথর ও কাদামিশ্রিত স্রোত লেন্দে খোলা ও ত্রিশূলী নদী ধরে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং সীমান্তবর্তী জনপদগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালে প্রায় ১৬ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাবে ৪১টি কংক্রিটের সেতু পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও চারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু নুয়াকোট জেলাতেই ১ হাজার ২৬৭টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস এবং ১ হাজার ২৫৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে নেপালে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বা কাদা-ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছে।

"দুর্যোগটি হিমালয় অঞ্চলে বাড়তে থাকা জলবায়ু ঝুঁকির সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।"

উদ্ধার অভিযানে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিভিন্ন সুড়ঙ্গে তল্লাশি চলছে। প্রায় ৯০০ কর্মী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় নিখোঁজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজে ২ হাজার ৩০০-এর বেশি উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ
  • 🔢 মৃত্যু: ১ হাজার ২২৫ জন
  • 🔢 নিখোঁজ: ৪ হাজার ৭৫৭ জন
  • 🔢 ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ: প্রায় ১৬ লাখ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖